কাতার ফুটবল বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে বসে দর্শকরা বিয়ার খেতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় ছিল। বিশ্বকাপ শুরুর আগে কয়েকটি হোটেলে বিয়ার বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, দর্শকদের জন্য বিয়ারের ব্যবস্থা থাকবে। তবে অনেক বেশি দামে কিনতে হবে। যত ইচ্ছা তত খাওয়াও যাবে না। মানতে হবে বেশ কিছু নিয়ম।
.png)
বিশ্বকাপে একটি বিয়ারের জন্য পানকারীদের প্রায় ১২ থেকে ১৫ পাউন্ড খরচ করতে হবে। যদিও সামনে দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আয়োজকরা। কিছু সমর্থকরা মদ্যপান করতে পারে, এমন আশঙ্কার কারণে প্রতি অর্ডারে চারটির বেশি পানীয় নেয়া যাবে না।
একটি বিয়ার গ্লাস বা ওয়াইনের জন্য প্রায় ১২ থেকে ১৫ পাউন্ড দাম রাখার চার্জ রাখার সিদ্বান্ত নিয়েছে বেশ কয়েকটি হোটেলের বার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪শ থেকে ১৯শ টাকা।
কাতার বিশ্বকাপর দায়িত্বে থাকা কমিটির প্রধান নির্বাহী নাসের আল খাতার জানান, ফ্যান জোন এবং স্টেডিয়ামে বিয়ারের দাম সমর্থকদের জন্য অনেক কম হবে। প্রতি গ্লাস ৭ থেকে ৮ পাউন্ড হবে।
বিয়ার বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট কোম্পানি বুডওয়েজারকে চূড়ান্ত করেছে ফিফা এবং কাতার সরকার। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিফা কর্তক নিযুক্ত হওয়ায় বুডওয়েজার গর্বিত। আয়োজক কমিটির নির্দেশ অক্ষরে-অক্ষরে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দিস্ট সংস্থাকে।
বিশ্বকাপের একমাত্র অফিসিয়াল বিয়ার বুডওয়েজারের ৫শ মিলি গ্লাসের দাম পড়বে ৫০ রিয়াল। যা প্রায় ১১.৬০ পাউন্ড। একটি নন-অ্যালকোহলের দাম পড়বে ৩০ রিয়াল। যা ৭ পাউন্ড। পানির দাম পড়বে ১০ রিয়াল বা ২.৩০ পাউন্ড।
সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বুডওয়েজার বলছে, পকেটে টাকা থাকলেই অ্যালকোহল কেনা যাবে না। কিনতে হলে আগে প্রমাণ দিতে হবে ক্রেতার বয়স ২১ বছরের বেশি। তার কম বয়সী কারো কাছে বিয়ার বিক্রি করা হবে না।
২১ বছরের কম বয়সী কেউ বিয়ার খেতে গিয়ে ধরা পড়লে কড়া শাস্তির মুখে পড়বে বলে জানানো হয়েছে। স্টেডিয়ামের বাইরে নিজেদের স্টল তৈরি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বুডওয়েজারকে।