যা বদরকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনে দিয়েছে তারকা খ্যাতি। সেই হিসেবে লোহিত সাগর উপকূলে নিজ বাসস্থান জেদ্দা থেকে মাত্র দুই ঘন্টার দূরত্বে কাতার বিশ্বকাপ তাকে দিচ্ছে ঘরের মাঠের অনুভূতি।
এতো কাছে অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টে বিপুল সংখ্যক ফুটবল পাগল সৌদি ভক্তদের উপস্থিতি আশা করছেন তুর্কিস্থানী। সেই সঙ্গে স্বপ্ন দেখছেন তাদের সমর্থন পেয়ে তিন দশকের মধ্যে প্রথম গ্রুপ পর্বের বাঁধা টপকাতে পারবে গ্রীন ফ্যালকনরা।
.png)
৩৭ বছর বয়সি এই প্রকৌশলী এএফপিকে বলেন, ‘বিপুল সমর্থকদের উপস্থিতির কারণে সৌদি জাতীয় ফুটবল দল মনে করবে তারা নিজ দেশেই খেলছে। কাতারে বিশ্বকাপ খেলা মানে নিজ দেশ সৌদি আরবে খেলার মতোই।
সামান্য একটা সীমান্ত আমাদের আলাদা করে রেখেছে। তবে আমাদের বিপুল সংখ্যক সমর্থক স্টেডিয়াম পূর্ণ করে রাখবে। এই সংখ্যা ৫০ বা ৬০ হাজার হতে পারে।’
সম্প্রতি এক বিকেলে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী জামার সঙ্গে সাদা ও সবুজ স্কার্ফ পরে নিজ দল গ্রীন ফ্যালকনের সমর্থনে একটি গান পরিবেশন করেছেন বদর।
তার সঙ্গে পশুর চামড়া দিয়ে বানানো একটি ড্রাম বাজাতে দেখা যায় তার এক বন্ধুকে। গানের কথাগুলো এরকম, ‘এটি সৌদি আরবের সবুজতা। ওহ সৌদি, আমরা এসেছি।’
তুর্কিস্তানি বলেন, ‘কাতারে আমার সঙ্গে এই গানটিতেই গলা মেলাবে অন্তত ৫০ হাজার সমর্থক। রাশিয়ায় যে সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ হাজার। এই উৎসাহ খেলোয়াড়দের মধ্যে সঞ্চারিত হয়। ভক্ত হিসেবে আমরা আশা করছি এভাবে আমরা খেলোয়াড়দের সেরা সামর্থ্য বের করে আনব।’