ম্যাচজুড়ে ৪৭ শতাংশ সময় বলের দখল রাখা উরুগুয়ে গোলের জন্য ১০টি শট নেয়, তবে কোনোটিই ঠিক লক্ষ্যে ছিল না। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ছয়বার গোলের জন্য চেষ্টা চালায়। ৩৭ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা এশিয়ার দলটিও কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।
গত বছরের শেষে অভিজ্ঞ কোচ অস্কার তাবারেজের স্থানে দিয়েগো আলনসো দায়িত্ব নেবার পর থেকেই উরুগুয়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। সেই ধারা মেনে ম্যাচের শুরুতে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে লা সেলেস্তারা।
.png)
ম্যাচের ১৯ মিনিটে গোলের সুবর্ণ এক সুযোগ পেয়েও সেটি বাইরে মারেন উরুগুয়ের ফেডরিকো ভালভার্দে। মিনিট তিনেক পর একই দলের লুইস সুয়ারেজ ও নুনেজ গোলের জন্য শট নেন। তবে কেউই সফল হননি।
৩৪ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে গোলের জন্য প্রথম শট নেন হোয়াং উইজো। পাঁচ মিনিট পর হোয়াং ইনবেওম প্রায় লক্ষ্যভেদ করেই ফেলেছিলেন। কিন্তু উরুগুয়ের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় হতাশ হতে হয় তাকে।
প্রথমার্ধের শেষদিকে মুহুর্মুহূ আক্রমণে আসতে থাকে উরুগুয়ে। দলটির অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার দিয়েগো গডিনের হেড বারপোস্টে না লাগলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে পারতো তারা। তবে শেষ পর্যন্ত কেউ গোল করতে না পারায় সমতায় থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে যেন আগের অর্ধের চিত্রেরই পুনঃমঞ্চায়ন। এবার আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে দুই দল আরো বেশি ব্যস্ত থাকে। কিন্তু কখনো উরুগুয়ের রক্ষণ, আবার কখনো দক্ষিণ কোরিয়ার রক্ষণ প্রতিপক্ষের আক্রমণকে রুখে দিয়েছে।
প্রথমার্ধের শেষদিকে গডিনের শট দক্ষিণ কোরিয়ার বারপোস্টে লেগেছিল। সেই আফসোস আরো বাড়িয়ে দিতেই যেন ম্যাচের শেষদিকে ফেডরিকো ভালভার্দের নেয়া শটটা ফের এশিয়ার দলটির বারে লেগে মাঠের বাইরে চলে যায়।
শেষ পর্যন্ত আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ আর প্রতিরোধে ভরপুর ম্যাচে কোনো দলই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। তাই জমজমাট ম্যাচের সমাপ্তি ঘটে গোলশুন্য ড্রয়ে। গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ একটু পরই মাঠে নামবে পর্তুগাল ও ঘানা।