তবে এ ম্যাচ আর্জেন্টিনার জন্য খুব কঠিন না। অন্ত্বত্ব দলের পরিসংখ্যন যা বলে। আরো দলে আছেন সময়ের সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। মেক্সকোর বিপক্ষে সব সময়ই ভালো পেয়েছেন তিনি। মেসি এ পর্যন্ত ৫ বার মেক্সিকোর মুখোমুখি হয়েছেন। ৪ জয় ও ১ ড্রয়ে মেক্সিকোর বিপক্ষে তার আছে সুখকর স্মৃতি। এই ৫ ম্যাচে আর্জেন্টিনার করা ১৪ গোলের ৩টি মেসির। ২টি গোল বানিয়েও দিয়েছেন।
২০০৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় প্রথমবারের মতো মেক্সিকোর মুখোমুখি হয়ে ৩৬ মিনিট খেলেছিলেন মেসি। কোনো গোল পাননি।
পরের বছর কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার ৩–০ গোলের জয়ে গোল করেছিলেন মেসি। মেক্সিকোর বিপক্ষে এ পর্যন্ত ২টি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে দুটিতেই একটি করে গোল করেছেন মেসি। গোল বানিয়েছেন একটি। ২০১০ বিশ্বকাপ শেষ ষোলোয় মুখোমুখিতে একটি গোল বানিয়েছিলেন।
.png)
এদিকে দলীয় পরিসংখ্যনে মেক্সিকোর সঙ্গে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৩০ ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা। এর অর্ধেকসংখ্যক ম্যাচেই জিতেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অর্থাৎ ১৫ ম্যাচ জিতেছে আর্জেন্টিনা। ৪ ম্যাচ জিতেছে মেক্সিকো ও বাকি ১১ ম্যাচ ড্র হয়েছে। দুই দলের মুখোমুখি হওয়া ৩০ ম্যাচের মধ্যে ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্বকাপে।
আর্জেন্টিনা–মেক্সিকো মুখোমুখি হওয়ার ইতিহাসে প্রথম ম্যাচটিই বিশ্বকাপে। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপে একই গ্রুপে পড়েছিল মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনা। গুইলার্মো স্ট্যাবিল–ভারাল্লোদের আর্জেন্টিনা ৬–৩ গোলে হারিয়েছিল মেক্সিকোকে।
এর ৭৬ বছর পর বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হয় আর্জন্টিনা–মেক্সিকো। ২০০৬ বিশ্বকাপে লাইপজিগে সে ম্যাচেও মেক্সিকোকে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে হারের শঙ্কাও ছিল।
৬ মিনিটে রাফায়েল মার্কেজের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মেক্সিকো। এর ৪ মিনিট পর হারনান ক্রেসপোর গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাক্সি রদ্রিগেজের অবিস্মরণীয় ভলিতে করা গোলে জয় তুলে নিয়েছিলেন মেসিরা।
পরের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় আবারও মেক্সিকোকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। এবারও ফলটা পাল্টাতে পারেনি কনক্যাকাফ অঞ্চলের দলটি।
জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সে ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩–১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। জোড়া গোল করেছিলেন কার্লোস তেভেজ। একটি গোল গঞ্জালো হিগুয়েনের। অর্থাৎ বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত তিন ম্যাচে মেক্সিকোর মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে আর্জেন্টিনা।