ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য এমন কয়েকটি গোলের কথা তুলে ধরা হলো:
সালেম আল-দাওসারি (সৌদি আরব) বনাম আর্জেন্টিনা - গ্রুপ পর্ব:
.png)
কাতার বিশ্বকাপে নিঃসন্দেহে সেরা গোলের তালিকায় জায়গা করে নেবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে করা সালেম আল-দাওসারির গোলটি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো হেড করলেও ফিরতি বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা।
এই সু্যোগেই ডান পায়ের বুলেট শটে গোল পোস্টের ডান কর্ণার দিয়ে জাল খুঁজে নেন সৌদি লিগের ক্লাব আল হেলালের হয়ে খেলা দাওসারি। এমিলিয়ানো মার্টিনেজ চেষ্টা করেও বলের নাগাল পাননি। তার গোলে ২-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারায় সৌদি আরব।
তাকুমা আসানো (জাপান) বনাম জার্মানি - গ্রুপ পর্ব:
সৌদি আরব আর্জেন্টিনাকে স্তব্ধ করে দেওয়ার একদিন পরই জার্মানিকে হতবাক করে দেয় এশিয়ার দেশ জাপান। রিৎসু দোয়ানের করা সমতাসূচক গোলের পর বদলি হিসেবে নেমে ডান দিক দিয়ে চিতার গতিতে ঢুকে জার্মানিকে হারানো গোলটি করেন তাকুমা আসানো।
রিচার্লিসন (ব্রাজিল) বনাম সার্বিয়া - গ্রুপ পর্ব:
পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল তাদের প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় তুলে নেয়। ম্যাচে দুইটি গোলই করেন রিচার্লিসন। যার দ্বিতীয়টি গোলটি এখনো চোখে লেগে আছে। ৭৩তম মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের বাড়ানো বল রিসিভ করে দুর্দান্ত ভলিতে গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান নাম্বার নাইন।
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) বনাম মেক্সিকো - গ্রুপ পর্ব:
সৌদি আরবের কাছে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে হারার পর আর্জেন্টিনাকে তার রাউন্ড অফ সিক্সটিন - এর আশা বাঁচিয়ে রাখতে মেক্সিকোকে হারাতেই হতো। এমন ম্যাচে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
মেক্সিকোর বক্সের মুখে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার পাস থেকে বলকে বাক খাইয়ে শটটি নেন মেসি। ২৫ মিটার দূর থেকে নেওয়া মেসির সেই মাটি কামড়ানো শট গুইলারমো ওচোয়াকে সহজেই পরাস্ত করে জাল খুঁজে নেয়।
কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) বনাম পোল্যান্ড - রাউন্ড অফ সিক্সটিন:
দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতার কারণে কিলিয়ান এমবাপের বেশ সুনাম রয়েছে। পোল্যান্ডের বিপক্ষে এটাই আরেকবার দেখালেন ফরাসি তারকা। মাঠের বাঁদিক ধরে মার্কাস থুরামের সঙ্গে ওয়ান টু খেলে পোল্যান্ডের বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপে। এরপর ডান-পায়ের দুর্দান্ত শটে জাল কাঁপিয়ে দেন ফরাসি তারকা।