লুইসাইল স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিজেদের কাংক্ষিত একাদশই নিয়েই মাঠে নেমেছে দুই দল।
ফাইনালের মহারণে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। কারণ হারলেই বিশ্বকাপ হাতছাড়া হয়ে যাবে। আর তাই নিজেদের সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছে ফরাসি ও আলভিসেলেস্তেরা।
.png)
এমন ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণত্মক খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। পুরো দলই চায় আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির হাতে বিশ্বকাপ তুলে দিতে। পরপর দুটি আক্রমণ করে ফ্রান্সের গোল বারে। তবে তা তাতা হয়ে রক্ষা করেন গোল কিপার হুগো লরিস।
বল নিয়ে ছুটছেন ডি মারিয়া। ডিবক্সের মধ্যেই তাকে রুখতে গিয়ে ধাক্কা দেন ফ্রান্সের উসমান ডেম্বেলে। ভাগ্য হয়তো আজ আর্জেন্টিনার পক্ষে। রেফারি ফাউল ডাকেন। বরাবরের মত পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। পেনাল্টিতে বারবার আর্জেন্টিনাকে গোল এনে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রাণ ভোমরা লিওনেল মেসি।
এবারো নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগালো বিশ্বসেরা এ খেলোয়াড়। ২৩ মিনিটে মেসির শর্ট রুখেত ব্যর্থ হলো লরিস। স্টেডিয়ান কাঁপিয়ে শোনা গেল গোল। ১-০গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।
ফের গোলের দেখা পেল আর্জেন্টিনা। তবে এবার আর মেসি নয়। গোল করলেন ২০১৪ সালে ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে না পারা ডি মারিয়া।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টারের পাসে গোলকি লরিসকে কাটিয়ে গোল করেন এ আর্জেন্টাইন উইঙ্গার।