এবারের কাতার বিশ্বকাপে সে দৌড়ে ছিলেন এমবাপ্পে ও মেসি। যদিও ফাইনালের ম্যাচে ১ গোল করে এমবাপ্পের সমান ছিলেন মেসি। কিন্তু ২ গোল করে সে দৌড়ে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে।
আজকের ফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসে ফরাসিরা। ১ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে ফরাসিদের সমতায় ফেরালেন এমবাপ্পে। এ মহারণে প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে পর পর দুই গোল পেল ফ্রান্স। ২-২ গোলে সমতায় দুই দল। পুরো ৯০ মিনিট শেষ হয় সমতায়। এখন চলছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা।
.png)
রোববার লুইসাইল স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিজেদের সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছে ফরাসি ও আলভিসেলেস্তেরা।
প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বিশ্বকাপের দাবিদার আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। পরপর দুই গোলের দেখা পায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
৪৯ মিনিটে ডান পাশে কাত হয়ে ফ্রান্স বারে শর্ট করেন ডি পল। কিন্তু বলটি লুফে নেন লরিস। ৫২ মিনিটে কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ফ্রান্স।
৫৫ মিনিটে ডি পলকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আদ্রিয়েন র্যাবিও। ৫৯ মিনিটে একাই বল নিয়ে ফ্রান্স গোল বারের দিকে ছুটে যান আলভারেজ। তবে ব্যর্থ হন তিনি। বল লাগে গোল বারে।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে মেসির একটা চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন র্যাবিও। ৬৪ মিনিটে ডি মারিয়া কে উঠিয়ে নিয়ে মার্কোস একুনিয়েক নামান স্কালোনি।
একটাও টার্গেটে শর্ট করতে পারেনি ফ্রান্স। ৭১ মিনিটে গ্রিজম্যান ও হার্নান্দেজকে তুলে নেন ফ্রান্স কোচ দেশম।
৭২ মিনিটে আবারো হামলা আর্জেন্টিনার। ফার্নান্দেজের শর্ট গোলবারের সামনে থেকে রুখে দেন কিপার লোরিস।
আর্জেন্টিনার ডিবক্সে ৭৮ মিনিটে কুলো মুয়ানিকে ফাউল করে বসেন ওতামেন্দি। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ৮০ মিনিটে গোল পান এমবাপে। এরপরের মিনিটেই ফের গোল করেন এমবাপে।