ইনজুরির কারণে সেমিফাইনালে খেলতে পারেননি এ উইঙ্গার। ফাইনালে খেলা নিয়েও ছিল শঙ্কা। সকল দুর্ভাবনা দূর করে নেমে গেলেন মাঠে। মেসির গোলের পর দ্বিতীয় গোল করলেন তিনি। ২-০ তে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। যত সময় মাঠে ছিলেন ম্যাচ আর্জেন্টিনার পক্ষেই ছিল। এরপরের ঘটনা সবার জানা।
সেই ডি মারিয়াই এখনো বিশ্বাস করতে পারেন না তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ! অবিশ্বাস্য। আমার পরিবারকে ধন্যবাদ। ওরা আমাকে কখনো হাল ছাড়তে দেয়নি, প্রতিটা পদক্ষেপে পাশে ছিল। ওদের ধন্যবাদ। ধন্যবাদ আমার সতীৰ্থ ও সব আর্জেন্টাইনকে, আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য’।
.png)
ফ্রান্সকে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। প্রথমবারের মত ট্রফি ছুঁয়ে দেখলেন লিওনেল মেসি। ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন আলভিসেলেস্তেরা। দিয়েগো ম্যারাডোনার পর বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচু করে ধরলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
১৮ ডিসেম্বর লুইসাইল স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ ২-২ গোলের সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিট। এরপর অতিরিক্ত সময়ে মেসির গোলে ৩-২ এ এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। আবারো পেনাল্টিতে গোল করে ৩-৩ সমতায় ফেরান এমবাপে। এতেই টাইব্রেকারে গড়ায় ফাইনাল। এতে ৪-২ শর্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা।