নির্ধারিত ২০ ওভারে রংপুরের সংগ্রহ পাঁচ উইকেটে ১৭৬ রান।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। তার সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণেই যেন মাঠে নামেন রনি তালুকদার।
.png)
ইনিংসের প্রথম বল থেকেই মারমুখী ছিলেন রনি। সেই ধারাবাহিকতায় মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন তিনি। অন্যপ্রান্তে আরেক ওপেনার নাঈম শেখ তখন ১৪ বলে মাত্র ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।
রনিকে থামান খুশদিল শাহ। কুমিল্লার এই পাকিস্তানি রিক্রুটের বলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ার আগে ৩১ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন তিনি। এর মাধ্যমে ভাঙে ৮৪ রানের উদ্বোধনী জুটি।
তিনে নেমে আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন শোয়েব মালিক। তবে অন্যপ্রান্তে বিরক্তিকর এক ইনিংস উপহার দেন নাঈম। ব্যাটিং স্বর্গে ৩৪ বল খেলে মাত্র ২৯ রান করেন তিনি। ফজলহক ফারুকির করা বাজে বলে আউট হন এই ওপেনার।
সিকান্দার রাজা আজ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তিনি ১০ বলে ১২ রান করেন। রান আউট হওয়ার আগে ২৬ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন শোয়েব। বেনি হাওয়েল ৮ রানের বেশি করতে পারেননি।
শেষদিকে নুরুল হাসান সোহানের ১৯ রানের অপরাজিত ক্যামিওতে রংপুরের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত হয়। কুমিল্লার হয়ে মুস্তাফিজুর রহমান, ফারুকি, মোসাদ্দেক ও খুশদিল শাহ প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট শিকার করেন।