সেজন্য বিদেশী লিগে খেলা সব পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশে আসতে নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
এবার চলমান লিগে মোট ২২জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার খেলছেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দেশে ফিরে যাচ্ছেন ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই। অর্থ্যাৎ সিলেটেই নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলে ফেলবেন তারা।
.png)
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বিপিএলে খেলছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, হাসান আলি, খুশদিল শাহ, আবরার আহমেদ, নাসিম শাহ। পিসিবির নির্দেশনা অনুযায়ী পিএসএল খেলতে তারা দেশে ফিরে যাবেন ৪ ফেব্রুয়ারি।

ফরচুন বরিশালে পাকিস্তানি ক্রিকেটার খেলছেন তিনজন। তারা হলেন- ইফতিখার আহমেদ, হায়দার আলি এবং মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। পিসিবির চুক্তিতে থাকার কারণে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ফিরতে হচ্ছে হায়দার আলিকে। ইফতেখার আহমেদ ফিরে যাবেন ৪ ফেব্রুয়ারির আগে। ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় শেষ ম্যাচ খেলে দেশে ফেরার বিমান ধরতে পারেন তিনি। তবে ওয়াসিম জুনিয়র ফিরতি লেগের এক ম্যাচ বাকি রেখে দেশে ফিরবেন। ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত খেলবেন তিনি।
রংপুর রাইডার্সে খেলছেন শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ নওয়াজ এবং হারিস রউফ। তারা কবে ফিরবেন জানা যায়নি। সিলেট স্ট্রাইকার্সের দুই পাকিস্তানি মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিম দেশে ফিরবেন সিলেট পর্ব শেষ করেই। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সে খেলছেন উসমান খান।
খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছেন পাকিস্তানের সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার এবং সাবেক অধিনায়ক মঈন খানের ছেলে আজম খান। খেলছেন অলরাউন্ডার আমাদ বাট। তারা কবে ফিরবেন জানা যায়নি। তবে খুলনার পাকিস্তানি বোলার ওয়াহাব রিয়াজ ফিরে গেছেন রাজনৈতিক দায়িত্ব নেয়ার জন্য।
এদিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা ক্রিকেটাররা পিএসএলে তাদের ফ্রাঞ্চাইজির সঙ্গে কথা বলে অনুমতি নিতে পারলে সেটি মেয়াদ হয়তো বাড়তে পারে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশে ফিরতে হবে সব পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের।