রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে এই তাণ্ডব চালান ইফতিখার। ইনিংসের শেষ ওভারে অভিজ্ঞ পেসার ওয়াহাবের ওপর ঝড় বইয়ে দেন তিনি।
ওভারের প্রথম বলটি পায়ের ওপর লো ফুলটস পেয়ে স্কয়ার লেগ দিয়ে গ্যালারিতে ফেলেন ইফতিখার। পরের বল ওড়ান তিনি মিড উইকেট দিয়ে। তৃতীয় বলটি ছিল ফুল লেংথ, হাঁকান লং অফ দিয়ে। শেষ তিন বলে তিন ছক্কাই পয়েন্টের ওপর দিয়ে মারেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
.png)
শেষ ওভারের আগে ইফতিখারের রান ছিল ৪৪ বলে ৫৮। ইনিংস শেষে যখন তিনি অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ছেন, তার নামের পাশে তখন জ্বলজ্বল করছে ৫০ বলে ৯৪ রান। তার নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে ১৮৪ রানের পুঁজি গড়ে কোয়েটা।
ম্যাচটি স্বীকৃতি কোনো টি-২০ নয়। তাই রেকর্ডের খাতায় থাকবে না ইফতিখারের নাম। স্বীকৃতি টি-২০তে ৬ বলে ৬টি ছক্কা মারার কীর্তি আছে পাঁচ জনের- যুবরাজ সিং, রস হোয়াইটলি, হজরতউল্লাহ জাজাই, লিও কার্টার ও কাইরন পোলার্ড।
অবশ্য রস হোয়াইটলি ও হযরতউল্লাহ জাজাইয়ের কীর্তিতে একটু ‘কিন্তু’ আছে। দুইজনের বেলাতেই ওভারটি ছিল ৭ বলের, মাঝে একটি করে ওয়াইড ছিল।
চলমান বিপিএলে ইফতিখার ফরচুন বরিশাল হয়ে এবং ওয়াহাব খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছিলেন। পেশোয়ার-কোয়েটার এই প্রদর্শনী ম্যাচটি খেলতে দেশে ফেরেন পাকিস্তানের আরো কয়েকজন।
ইফতিখার অবশ্য কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে আগামী মঙ্গলবারের ম্যাচটি খেলতে আবারও যোগ দেবেন বরিশাল শিবিরে। এরপর ফের দেশে ফিরে যাবেন তিনি। আগামী বুধবার পর্যন্ত পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি।
বিপিএলে এখন পর্যন্ত ইফতিখারের পারফরম্যান্স অসাধারণ। এবারের আসরে আপাতত যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। ১০ ম্যাচে ১৬১.৩৯ স্ট্রাইক রেট ও ৬৯.৪০ গড়ে তার রান ৩৪৭। সেঞ্চুরি করেছেন ১টি, ফিফটি ৩টি। সমান রান বরিশাল অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের।