গতকাল সিলেটের স্পিনার লিন্ডের বলে ডিপ স্কয়ার লেগে রুবেল যখন সহজ ক্যাচটি লুফে নিতে ব্যর্থ হন তখন চার্লসের রান ছিল মাত্র ৮। সে সময় ক্যাচটি নিতে পারলে ম্যাচের মোমেন্টামই হয়তো বদলে যেত। কিন্তু রুবেল পারেননি। ক্যাচ মিস মানেই যে ম্যাচ মিস, তা যেন খুব ভালো করেই টের পেলেন তিনি।
শুধু তাই নয়, ফাইনালের শেষ দিকে ২৪ বলে যখন ৫২ রান দরকার কুমিল্লার, তখন ১৭ নম্বর ওভারে তিন ছক্কা ও এক বাউন্ডারি হজম করাসহ ২৩ রান দিয়ে ফেলেন সিলেট স্ট্রাইকার্স পেসার রুবেল হোসেন। তাতেই কার্যত ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় সিলেট স্ট্রাইকার্সের। কুমিল্লার ওভারপ্রতি ১৩ রানের লক্ষ্যমাত্রাটা কমে শেষ তিন ওভারে ৯ এর একটু বেশি হয়।
.png)
এরকম দুটি সর্বনাশা কাণ্ড ঘটানোর পরও রুবেলের দোষ দেখছেন না সিলেট স্ট্রাইকার্স অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। বৃহস্পতিবার ফাইনালে হারের পর উল্টো বলে উঠলেন, আসলে রুবেলকে দোষ দেই কী করে? ইনফ্যাক্ট রুবেলই আমাদের খেলায় ফিরিয়ে এনেছিল। আসল কথা হলো আমরা সময়মতো প্ল্যানগুলোর বাস্তবায়ন করতে পারিনি।
কারো ওপর দোষ না চাপিয়ে খেলা শেষে শেরে বাংলার কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে এসে মাশরাফী বোঝানোর চেষ্টা করেন, তার দল অন্তত ১০ থেকে ১৫ রান কম করেছে। এবং সেটাও কেন ও কীভাবে হয়েছে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ম্যাশ।
সিলেট ক্যাপ্টেন মনে করেন, ইনিংসের মাঝামাঝি ওয়েল সেট শান্তর আউট আর শেষ দিকে জর্জ লিন্ডা আউট হওয়ায় প্রত্যাশার চেয়ে দলের রান কিছুটা কম হয়েছে। স্কোরটা ১৯০ হলে হয়তো চিত্রটা ভিন্ন হতে পারতো।