ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে দলের হয়ে গোলের খাতা খোলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। এরপর দিয়েগো সিমিওনের দলের দাপুটে জয়ে অনেকটা একক নৈপুণ্য দেখিয়ে স্বাগতিক সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থন আদায় করে নিয়েছেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইয়ানিক কারাসকো অ্যাথলেটিকোর ব্যবধান দ্বিগুন করেন। এরপর থমান লেমারের আরো এক গোলে স্বাগতিকদের বড় জয় নিশ্চিত হয়।
.png)
এই জয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদের থেকে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে অ্যাথলেটিকো টেবিলের তৃতীয় স্থান শক্তিশালী করেছে। অন্যদিকে পরাজিত ভ্যালেন্সিয়া গেতাফের সমান ২৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৭তম স্থানেই থাকলো।
এ নিয়ে শেষ ছয় ম্যাচে পঞ্চম জয় তুলে নিল অ্যাথলেটিকো। মৌসুমের প্রথম ভাগে যা দেখাতে পারেনি সেটাই এখন প্রমাণ করছে সিমিওনের শিষ্যরা।
অ্যাথলেটিকো মিডফিল্ডার মার্কোস লরেন্তে ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের আগে আমাদের কোনকিছুই পরিকল্পনা মাফিক হচ্ছিল না। এখন সবকিছুই আমাদের আছে। পুরো দল খুশী। সবাই এখন জয়ের জন্যই মাঠে নামে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যতটা সম্ভব উপরে থেকে লিগ শেষ করা। আমরা সবাই জানি আমাদের সামনে এখন শুধুমাত্র লা লিগা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ঠ নেই। আমরা বড় দল, সে কারনেই উপরে ওঠার সর্বোচ্চ চেষ্টা আমরা করে যাবো।’
অ্যাথলেটিকোর হয়ে দুটি ভাল সুযোগ নষ্ট করেছেন মেমফিস ডিপে। ২৩ মিনিটে লরেন্তের সহায়তায় গ্রিজম্যান দলকে এগিয় দেন। এ নিয়ে মৌসুমে নবম গোল করলেন তিনি।
হুগো ডুরোর গোলে ভ্যালেন্সিয়া কিছুক্ষণের মধ্যে সমতায় ফিরেছিল। কিন্তু ফাউলের কারণে ভিএআর তা বাতিল করে দেয়।
প্রথমার্ধে উভয় দলই একে অপরের ওপর চড়াও হলেও দ্বিতীয়ার্ধ পুরোটাই নিজেদের করে নিয়েছিল অ্যাথলেটিকো। ৪৯ মিনিটে কারাসকো পোস্টের খুব কাছে থেকে বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান দ্বিগুন করেন।
৬৭ মিনিটে গ্রিজম্যান দারুণ এক পাস দেন আলভারো মোরাতার দিকে। ভ্যালেন্সিয়া ডিফেন্ডার এরে কোমার্টকে কাটিয়ে মোরাতার ক্রসে লেমার হেডের সাহায্যে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন।
লিগের আরেক ম্যাচে রায়ো ভায়োকানো জিরোনার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছে। এই ড্রয়ে রায়ো টেবিলের অষ্টম স্থান ধরে রাখলেও জিরোনা নেমে গেছে ১২তম স্থানে।