সেন্ট মেরিসে ম্যাচের ১৩ মিনিট বাকি থাকতে স্পার্সরা ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল। এই ম্যাচে জিততে পারলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হটিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে আসতে পারতো টটেনহ্যাম।
কিন্তু প্রায় দুই বছরের মধ্যে থিও ওয়ালকটের প্রথম গোল ও জেমস ওয়ার্ড-প্রাউজের স্টপেজ টাইমের গোলে তলানির দল সাউদাম্পটনের গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিশ্চিত হয়।
.png)
ম্যাচ শেষে হতাশ স্পার্স বস আন্তোনিও কন্তে বলেছেন, ‘আরো একবার প্রমাণ করলাম আমরা কোন দলই না। ১১ জন খেলোয়াড় মাঠে খেলতে গেছে, কিন্তু আমি তাদের মধ্যে স্বার্থপরতা দেখেছি। আমি এমন খেলোয়াড় দেখেছি যাদের একে অন্যকে সহযোগিতা করার কোন আগ্রহ ছিল না। তারা মন থেকে খেলেনি।’
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে পেড্রো পোরোর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে টটেনহ্যাম এগিয়ে যায়। বিরতির পর মিনিটখানেকের মধ্যে ওয়ালকটের ক্রস থেকে চে অ্যাডামস সাউদাম্পটনকে সমতায় ফেরান।
ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কায় থাকলেও ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন নিজের দিনে কোন কিছুই আমলে নেন না। ডেয়ান কুলুসেভিস্কির ক্রস থেকে ৬৫ মিনিটে কেন আরো একবার টটেনহ্যামকে রক্ষা করেছেন তিনি।
এ নিয়ে এবারের মৌসুমে লিগে ২১তম গোল করলেন কেন। ৭৪ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে স্পার্সরা ৩-১ ব্যবধানের লিড পায়। কিন্তু এই দুই গোলও কন্তের দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
৭৭ মিনিটে ওয়ালকটের গোলের কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে সাউদাম্পটন শিবিরে। এরপর স্টপেজ টাইমে বদলী খেলোয়াড় পেপ সার ডি বক্সের ভিতর অ্যাইন্সলে মেইটল্যান্ড-নাইলসকে ফাউল করলে পেনাল্টি উপহার পায় সাউদাম্পটন।
সাবেক সতীর্থ ওয়ার্ড-প্রাউজকে হতাশ করতে পারেননি স্পার্স গোলরক্ষক ফ্রেসার ফর্স্টার। এই ড্রয়ে পঞ্চম স্থানে থাকা নিউক্যাসলের থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট এগিয়ে থাকলো টটেনহ্যাম। নিউক্যাসলের হাতে রয়েছে বাড়তি দুই ম্যাচ।
সাউদাম্পটন অধিনায়ক ওয়ার্ড-প্রাউজ বলেছেন, ‘আমি সত্যিই গর্বিত। আমি মনে করিনা আজ আমরা যেভাবে খেলেছি তাতে ৩-১ গোলে পিছিয়ে থাকা আমাদের প্রাপ্য ছিল। আমরা নিজেদের প্রমান করেছি, এতে সমর্থকরা অনেক সহযোগিতা করেছে।’