কার্টেল ওভারের ম্যাচে নির্ধারিত ১৭ ওভারে তিন উইকেটে ২০২ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। রান তাড়ায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৪ ওভারে চার উইকেটে ৩২ রান।
বল হাতে ইনিংসের প্রথম বলেই স্বাগতিকদের আনন্দে ভাসান তাসকিন আহমেদ। আইরিশ অধিনায়ক পল স্টার্লিংকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে গোল্ডেন ডাকের স্বাদ দেন তিনি।
.png)
পরের ওভারে নিজের প্রথম বলে উইকেটের দেখা পান সাকিব। ৬ রান করা লরকান টাকারকে ফেরান টাইগার কাপ্তান। নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরো দুই উইকেট নেন তিনি। এবার ফেরান রস আদাইর (৬) ও গ্যারেথ ডিলানিকে (৬)।
এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসটা হয়েছিল ঠিক সময়েই। যেখানে জয়লাভ করে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন আইরিশ অধিনায়ক পল স্টার্লিং। টস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেমে আসে বৃষ্টি। দুই দফা বৃষ্টির পর ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ১৭ ওভারে।
বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও রনি তালুকদার। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে দুজন। সে ধারাবাহিকতায় পাওয়ার প্লে-র চতুর্থ ওভারেই দলীয় ফিফটি পূরণ করে টাইগাররা।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন লিটন দাস। যা দেশের টি-২০ ইতিহাসে দ্রুততম। তিনি পেছনে ফেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুলকে। যিনি ২০ বলে অর্ধশতক করে এতদিন রেকর্ডটি নিজের করে রেখেছিলেন।
অষ্টম ওভারের প্রথম বলে দলীয় শতকের দেখা পায় বাংলাদেশ। মাত্র ৪৩ বলে রানের সেঞ্চুরি পূরণ হয় টাইগারদের, যা নিজেদের টি-২০ ইতিহাসে দ্রুততম। দুজনের ব্যাটে এ ফরম্যাটে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির দেখাও পায় লাল-সবুজরা।
বেন হোয়াইটের বলে লং অনে মার্ক আদাইরের তালুবন্দী হন রনি। তিনি ৪৪ রানে ফেরার মাধ্যমে শেষ হয় দুজনের ১২৪ রানের জুটি। তিনি থামলেও আপন গতিতে ছুটছিলেন লিটন। ছিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম টি-২০ সেঞ্চুরির পথে।
দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে বেন হোয়াইটের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন লিটন। লরকান টাকারের হাতে ধরা পড়ার আগে ৪১ বলে ৮৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও তিনটি ছক্কার মার।
ইনিংসের শেষটা এগিয়ে নেন সাকিব আল হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। শেষ ওভারে ২৪ রানে হৃদয় ফিরলে ভাঙে দুজনের ৬১ রানের জুটি। সাকিব ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। আইরিশদের হয়ে বেন হোয়াইট দুটি ও মার্ক আদাইর একটি উইকেট নেন।