রোববার ওয়াংখেড়ে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে কলকাতা। এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৫ রান করেছেন কলকাতার ব্যাটাররা। এতে ঘরের মাঠে জয় তুলে নিতে মুম্বাইয়ের প্রয়োজন ১৮৬ রান।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।
.png)
কলকাতার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন যথারীতি রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও নারায়ন জগদীশন। তবে শুরুতেই শূন্য রানে আউট হয়ে যান নারায়ন। গ্রিনের অফসাইডের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে হৃতিকের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন এ ব্যাটার।
এরপর ক্রিজে আসেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার। তাকে সঙ্গী করে দলীয় ইনিংস লম্বা করতে থাকেন গুরবাজ। তবে দলীয় ৫৭ রানের সময় পিয়ুস চাওলার বলে আউট হয়ে যান এ আফগান ব্যাটার।
অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে একাই মুম্বাইয়ের বোলারদের শাসন করে যাচ্ছিলেন আইয়ার। বাইশ গজে কলকাতার অধিনায়ক নীতিশ রানা আসতেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। এরপর হৃতিকের বলে লং অনে তিলক ভার্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৫ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন নাইটদের দলপতি।
এরপর আইয়ারকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন শার্দুল ঠাকুর। তবে তিনিও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করে আউট হয়ে যান। পরে কলকাতার ম্যাজিক বয় রিংকুও ১৮ রানে সাজঘরে ফেরেন। এ সময় দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নেন আইয়ার। অবশ্য শতকের ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগত ১০৪ রানে আউট হন তিনি।
তবে অ্যান্ড্রু রাসেলের ১১ বলে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংসে কলকাতা বড় সংগ্রহ পায়।
এদিন মুম্বাইয়ের হয়ে হৃতিক শোকেন দুটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ক্যামেরুন গ্রিন, জনসেন, পিয়ুস ও মেরিদিথ একটি করে উইকেট তুলে নেন।