বছরের এই সময়টায় উপমহাদেশে গ্রীষ্মকাল। সূর্যের উত্তাপ খানিকটা বেশিই থাকে। তবে গত সোমবার রাতে আইপিএলে ব্যাঙ্গালুরু-লখনৌ ম্যাচের উত্তাপ বোধহয় সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে! লো স্কোরিং এই ম্যাচে ব্যাট-বলের লড়াই ছাপিয়ে কথার লড়াইয়ে নেমেছিলেন কোহলি ও গম্ভীর।
তাদের এই দ্বন্দ্বের শুরুটা হয়েছিল বেশ আগেই। ২০১৩ সালে আইপিএলের একটি ম্যাচে মাঠের মধ্যেই তর্কে জড়িয়েছিলেন তখনকার কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক গম্ভীর ও ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক কোহলির মধ্যে। তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল ওই ঘটনা।
.png)
তখন থেকে এই দুজনের সুসম্পর্কের কথা আর শোনা যায়নি। খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করে গম্ভীর এখন কাজ করছেন লখনৌ দলের ‘গ্লোবাল মেন্টর’ হিসেবে। তারপরও কোহলির সঙ্গে সেই পুরোনো দ্বন্দ্ব ঘুচেনি। ধারাভাষ্যকার ও বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করার সময় গম্ভীরকে নানা সময়ে কোহলির তীব্র সমালোচনা করতে দেখা গেছে।
অথচ কোহলির ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এই দুইজনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল মধুর! দলের অভিজ্ঞ সদস্য হিসেবে গম্ভীরের স্নেহ পেয়েছেন কোহলি। জাতীয় দলে শুরু দিকে তাদের সম্পর্ক কেমন ছিল, সেটা একটা গল্প বললেই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ওয়ানডে ক্রিকেটে কোহলি নিজের অভিষেক সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে নিজের ১৪তম ম্যাচে। যেখানে শ্রীলংকার ৩১৫ রান তাড়া করতে নেমে ১০৭ রান এসেছিল তার ব্যাট থেকে। একই ম্যাচে অপরাজিত ১৫০ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন গম্ভীর।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার গ্রহণ করার জন্য ডাকা হয় গম্ভীরকে। ভারতের সাবেক এই তারকা তখন নিজের পুরস্কার কোহলিকে দিয়ে দেন। সেই সময়ের তরুণ কোহলির জন্য এটা নিশ্চয়ই অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল।
তবে সবই এখন অতীত। সুসম্পর্কের বদলে এখন সেখানে শুধুই আক্রোশের অবস্থান।