সোহাগের নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাফুফের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠে আসে দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে। এরপরই বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সংগঠনটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহাগের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধানে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের আদেশের পর বাফুফে কর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম। মঙ্গলবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
.png)
খুরশীদ আলম বলেন, মৌখিকভাবে এটি দুদককে জানানো হয়েছে। এখন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করবে দুদক।
এর আগে সোমবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বাফুফের কর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদককে নির্দেশ দেন।
এসময় আগামী চার মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের ফুটবল ফেডারেশনের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ শুনানি করেন।