শুক্রবার দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছোটন নিজেই। ছোটন বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নারী দলের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'
তিনি বলেন, ‘আগামী মাস পর্যন্ত দলের সঙ্গে আছি। গত সাত-আট বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। পারিবারিক জীবন ও ব্যক্তিগত জীবনে সময় দিতে পারিনি। একের পর এক টুর্নামেন্টে যে শারীরিক-মানসিক চাপ সেটা থেকে আমার বিশ্রাম দরকার।’
.png)
তবে কবে চাকরি ছাড়ছেন সেটিও পরিষ্কার করেছেন ছোটন। আগামী ৩১ মের মধ্যে অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনা জানিয়ে ছোটন বলেন, ‘নারী ফুটবলে কোনো ভবিষ্যৎ দেখছি না। প্রতিদিনই কাজের চাপ বাড়ছে, জবাবদিহি করতে হয় প্রতিনিয়ত। আমার কোনো ব্যক্তিগত জীবন নেই, পরিবার নেই। মাঠে খেলা না থাকায় মেয়েরাও এই কারণেই ফুটবল ছাড়ছে।’
একদিকে সাফ জয়ের পর তিন নারী ফুবলার অবসর নিয়েছেন। ছোটনের কথায় স্পষ্ট, ফুটবল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে দেশের নারী ফুটবলে। তিনি নারী ফুটবল নিয়ে শঙ্কাও দেখছেন। গত জানুয়ারিতে অবসরে যান জাতীয় দলের দুই ফুটবলার আনুচিং মগিনি ও সাজেদা খাতুন। অবসরে গেছেন বয়সভিত্তিক দলের ফুটবলারও। মাঠে নেই নিয়মিত টুর্নামেন্ট। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নানা সময়ে নানা কথা দিলেও শেষমেশ কথা রাখেনি।