২০০৫ সালের পরে এই প্রথম রোলা গারো অভাববোধ করবে তার প্রিয় নায়কের। এবার নেই ব্রিটিশ তারকা অ্যান্ডি মারে এবং অস্ট্রেলীয় তারকা নিক কিরিয়াসও। তাই নাদালের একচ্ছত্র সাম্রাজ্যে নতুন তারকার উদয়ের সম্ভাবনা এ বছর অনেকটাই বেশি। তবে টেনিস বিশেষজ্ঞরা বাজি ধরছেন স্পেনের কার্লোস আলকারাজ এবং ২২টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক নোভাক জকোভিচের উপরে।
শনিবারই জকোভিচ তার প্রতিপক্ষ নাদালের না থাকা নিয়ে জানান, তার মনে হচ্ছে যেন শরীরের একাংশ তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। তিনি বলেন, “যখন নাদাল ঘোষণা করে এটাই ওর টেনিস জীবনের শেষ মৌসুম হতে চলেছে, আমার মনে হল শরীরের কোনো অংশ যেন হারিয়ে গেছে।”
.png)
দ্য জোকার আরো বলেন, “জানি না আমিও আর কতদিন খেলা চালাতে পারব। আমি আজ কোনো ঘোষণা দিচ্ছি না। কিন্তু ওর অবসরের ঘোষণা আমাকে বিহ্বল করে তুলেছে।”
মুখোমুখি দ্বৈরথে ফলাফল জকোভিচের পক্ষে (৩০-২৯) হলেও ফরাসি ওপেনে দশবারের সাক্ষাতে নাদাল জিতেছেন আট বার। জকোর স্বীকারোক্তি, “সত্যি বলতে, ফরাসি ওপেনে রাফার বিরুদ্ধে খেলা একদমই পছন্দ করতাম না। ওর বিপক্ষে অমানুষিক পরিশ্রমের পর তবে জয় পেয়েছি।”
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে জেতার পরে ২০ বছরের আলকারাজ ক্লে-কোর্টে ২১টি ম্যাচের ২০টিতে জিতেছেন। তাই তার কাছে সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকবে ট্রফি জয়ের। তৃতীয় বাছাই জকোভিচের সামনেও তৃতীয়বারের মতো এ খেতাব জয়ের পরীক্ষা।
এ বছর কি নিজেকে চ্যাম্পিয়নের মঞ্চে দেখছেন? জকোভিচ বলেন, “পেশাদার টেনিসে আমি আরো রেকর্ড ভাঙতে চাই এবং টেনিসে নতুন কীর্তি গড়তে চাই। এই জন্য আমি আজও খেলে চলেছি।”
তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে থাকবেন রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভ। নরওয়ের ক্যাসপার রুড ও স্টেফানোস সিৎসিপাসের ওপরেও নজর থাকবে।