গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে দিয়াবাতে বলেন, ‘বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারলে খুশি হবো। আমি নিজে থেকে পাসপোর্ট চাইব না। তারা (বাফুফে) যদি আমার কাছে আসে, তাহলে আমি এটি পেতে পারি।’
তবে বাংলাদেশি পাসপোর্ট চান কিনা জানতে বলেন, ‘আমি নিজে থেকে পাসপোর্ট চাইব না। তারা যদি আমার কাছে আসে, তাহলে আমি এটি পেতে পারি।’
.png)
বাংলাদেশের হয়ে খেলার আগ্রহ দেখিয়ে এমনটাই বলেন মালিয়ান এই ফরোয়ার্ড। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া দিয়াবাতের বয়স বয়স ৩২ হলেও গতিতে তেমন কোনো হেরফের হয়নি। যা বাংলাদেশের গোলস্কোরিং সমস্যার একটি আদর্শ সমাধান হতে পারে।
অন্য কোনো ক্লাব এমনকি অন্য কোনো দেশের প্রতিনিধিত্ব না করে গত পাঁচ বছর ধরেই মোহামেডানের হয়ে খেলে চলেছেন দিয়াবাতে। এর এই কারণেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য করে তুলেছে তাকে।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে জন্ম দিয়াবাতের। ২০১৯ সালে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলতে আসেন বাংলাদেশে। এখন পর্যন্ত ৭৬ ম্যাচ খেলে সাদাকালো জার্সিধারিদের হয়ে করেছেন ৫৬ গোল।
দেশের ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষ স্ট্রাইকার হিসেবে তাই নিজেকে প্রমাণ করেছেন দিয়াবাতে। গত বছরও বাংলাদেশ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন তিনি। এবং বর্তমানে চলমান লিগেও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন তিনি। ফেডারেশন কাপে তো সর্বোচ্চ স্কোরারের সঙ্গে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন।
শিগগিরই নিজের ছোট ভাইকে বাংলাদেশের ফুটবলে খেলাতে যাচ্ছেন দিয়াবাতে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার এলিটা কিংসলে অনেক শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন।