রোমান-দিয়ার সম্পর্ক বেশ পুরোনো। আরচ্যারের মাঠ থেকে একে অপরের প্রতি ভালোলাগা সৃষ্টি হয়। এরপর দুজন দুজনকে মন দেওয়া নেয়া করেন তারা। এবার অম্ল-মধুর সেই সম্পর্কের স্বীকৃতি মিলছে। অবশেষে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন আরচ্যারের এই জুটি।
বুধবার (৫ জুলাই) নীলফামারী আশা কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় রোমান-দিয়া জুটির।
.png)
এর আগে মঙ্গলবার রাতে নীলফামারীর আশা কমিউনিটি সেন্টারে দিয়া সিদ্দিকীর গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বেশ হাস্যোজ্জ্বল মুখে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন দিয়া। একঝাঁক তরুণ-তরুণীর সঙ্গে নেচে-গেয়ে হলুদের মঞ্চে উঠতে দেখা যায় দিয়াকে।

দিয়ার বাবা নূর আলম সিদ্দিকীর ভাষ্য, রোমান ও তার পরিবার বর্তমানে নীলফামারীতে অবস্থান করছেন। বিয়ের পর রাতেই দিয়াকে তারা নিয়ে যাবেন।
তিনি আরো বলেন, ‘তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা অনেক বড়, যেহেতু তারা খেলোয়াড়। আমার প্রত্যাশা, তারা যেন অলিম্পিক জয় করে বাংলার বিজয়টা ছিনিয়ে আনতে পারে। আর বিয়েতে সব বাবা-মায়ের মন খারাপ থাকে; থাকাটাই স্বাভাবিক। এরপরও মেয়েকে বিদায় দিতে হয়। কষ্ট হলেও মেয়েকে বিদায় দিতে হচ্ছে।’
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে আশা, তাদের বিবাহোত্তর শুভকামনা ও তাদের প্রতি যেন দোয়া থাকে। তারা যেন সত্যিকারে সুখি দাম্পত্য জীবন গড়তে পারে, সেই জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
দিয়া সিদ্দিকী বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, নীলফামারীতে বিয়েটা করতে পারছি। আমার বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয়-স্বজন ও নিজের পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে পেয়ে অনেক আনন্দিত। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, ভবিষ্যতে আমার বিবাহিত জীবন, দাম্পত্য জীবন সুখে কাটাতে পারি।’