এছাড়া বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটও উঠে এসেছেন এ রাজশাহী থেকে। বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্রিকেটার উঠে এসেছেন এ নগরী থেকে। তাই বলা যায় বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে বড় অবদান রেখে চলেছেন পদ্মাপাড়ের ক্রিকেটাররা।
বর্তমানে রাজশাহীতে বেশকিছু ক্রিকেট একাডেমি রয়েছে। এগুলো হলো- ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমি, বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমি, নর্থ বেঙ্গল ক্রিকেট একাডেমি ও রাজশাহী ক্রিকেট স্কুল। এগুলোর মধ্যে স্থানীয়ভাবে বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমি বেশি জনপ্রিয়। একাডেমিটি প্রায় ৫০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত। এ একাডেমি অনেকে কাছে ‘দ্বিতীয় বিকেএসপি’ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ছাড়া এত বিশাল আয়তনের জায়গা আর কোনো ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান কিংবা একাডেমির নেই।
.png)
বর্তমানে বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমিতে ক্রিকেটারদের জন্য রয়েছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। খোলা মাঠের পাশাপাশি আছে ইনডোর, ব্যায়ামাগার, ফিজিওথেরাপি রুম ও ছাত্রাবাস। ইনডোরের নেট তিনটি। অনুশীলন নেট ৯টি। মৌলিক কিছু সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটি জিমনেশিয়াম। বোলিং মেশিন আছে দুটি। এ কারণে বৃষ্টিতেও বন্ধ থাকে না অনুশীলন। আছে স্পিড গান, ভিডিও বিশ্লেষণের ব্যবস্থা। এজন্যই ২০০৮ সালে গড়ে ওঠা এ প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রিকেট শিখেছে ১ হাজারের বেশি ছাত্র।

বর্তমানে জাতীয় দলে খেলা নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, ইমার্জিং এশিয়া কাপ খেলা তানজিদ হাসান তামিম উঠে এসেছেন বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমি থেকে। এছাড়া এই একাডেমির নেহাদুজ্জামান, নাহিদুর রহমান জুনিয়র, শাকিল, আব্দুর রশিদ খেলেছেন জাতীয় দলের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেট।
বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আব্দুল মুক্তাদির ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘২০০৮ সালে ১ মে আমাদের একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার এজাজ আহমেদ, আজহার আলী টেস্ট ক্রিকেটার, ইয়াসির শাহ, আনোয়ার আলী ছিলেন প্রতিষ্ঠার সময়ে এ একাডেমির সঙ্গে যুক্ত। এরপর গুটি গুটি পায়ে এই একাডেমি এগিয়ে আজ এ পর্যায়ে এসেছে।
বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আব্দুল মুক্তাদির ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘২০০৮ সালে ১ মে আমাদের একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার এজাজ আহমেদ, আজহার আলী টেস্ট ক্রিকেটার, ইয়াসির শাহ, আনোয়ার আলী ছিলেন প্রতিষ্ঠার সময়ে এ একাডেমির সঙ্গে যুক্ত। এরপর গুটি গুটি পায়ে এই একাডেমি এগিয়ে আজ এ পর্যায়ে এসেছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা গর্বিত বাংলাদেশ টেস্ট দলের ক্রিকেটার তাইজুল ইসলামকে উপহার দিয়েছি, তাওহীদ হৃদয়কে উপহার দিয়েছি। এছাড়া বয়সভিত্তিক দল, ইমার্জিং এশিয়া কাপেও রয়েছেন এই একাডেমির তানজিদ হাসান তামিম, নেহাদুজ্জামান, নাহিদুর রহমান জুনিয়র, শাকিল, আব্দুর রশিদ।
শুধু রাজশাহী বা উত্তরাঞ্চলের নয়, দেশের নানা প্রান্ত থেকে ক্রীড়া প্রশিক্ষণের জন্য বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমিতে মানুষ আসেন। তাদের ক্রিকেটের পাশাপাশি পড়াশোনাও চলে কাছের কোনো স্কুল-কলেজে।
এ একাডেমির প্রধান কোচ বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও বর্তমানে বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি একজন লেভেল-৩ সম্পন্ন করা কোচ। বর্তমানে তার অধীনে ক্রিকেটের দীক্ষা নিচ্ছে সহস্রাধিক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটাররা।