ফিলিস্তিনে জন্ম হলেও ৩৪ বছর বয়সী হেবা বড় হয়েছেন সিরিয়ায়। খেলাধুলার উপর পড়াশোনা করেছেন। সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর, ২০১২ সালে চলে যান মালয়েশিয়ায়। সেখান থেকে হেবার নতুন গল্প শুরু হয়। চার বছর পর জাতিসংঘের পুনর্বাসন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পরিবারসহ পাড়ি জমান সুইডেনে।
হিজাব পরে, অদম্য মনোবল নিয়ে রেফারি হিসেবে কাজ শুরু করেন নারী ও পুরুষ লিগে। এএফসি কাপ, এশিয়ান কাপ, বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও টোকিও অলিম্পিকের পর এবার ম্যাচ পরিচালনা করতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপে।
.png)
নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা পেয়েছেন অনেক। এ প্রসঙ্গে ফিলিস্তিনের নারী রেফারি হেবা সাদিয়ে বলেন, ‘লক্ষ্য পূরণ হয়েছে, আমি খুবই খুশি। তবে এজন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে আমাকে। কখনও রাস্তায়, কখনও পার্কিং এরিয়াতে প্র্যাকটিস করেছি। সচেতন থেকেছি ফিটনেস নিয়ে। তবে, কঠিন সময়ে সঠিকভাবে গাইডলাইন দেয়ার জন্য পাশে কেউ ছিলো না। নারী রেফারি বলে অনেকেই আমাকে সহজভাবে নিতো না। ঘৃণারও স্বীকার হতে হয়েছি।’