ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

মিয়ামিতে মাঠ ও মাঠের বাইরে সবখানেই যেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:০৬, ২৭ জুলাই ২০২৩
মিয়ামিতে মাঠ ও মাঠের বাইরে সবখানেই যেন মেসি
লিওনেল মেসি

আমেরিকান ক্লাব ইন্টার মিয়ামির ওপর লিওনের মেসির প্রভাব এখন শুধু মাঠ নয়, মাঠের বাইরেও। মাত্র ১২০ মিনিট মাঠে থেকে এরই মধ্যে তিন গোল ও এক অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। নতুন ক্লাবের ভিন্ন পরিবেশে এ যেন এক স্বপ্নের শুরু। সব ছাপিয়ে তার সতীর্থদের দাবি, এসবের বাইরে থেকেও মেসির প্রভাব দলে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

সাতবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী মেসি আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে অধিনায়ক হিসেবে জিতেছেন বিশ্বকাপ শিরোপা। এমন একজন বিশ্বসেরা খেলোয়াড় যখন মেজর লিগ সকারের মতো লো-প্রোফাইল একটি লিগের টেবিলের তলানিতে থাকা দলে যোগ দেন, তখন আলোচনার মোড়ই ঘুরে যায়। 

বার্সেলোনায় বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় কাটানোর পর পিএসজিতে দুই বছর ছিলেন মেসি। নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মত সতীর্থদের পিএসজিতে রেখে এ মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

Advertisement

মিয়ামির সব খেলোয়াড়দের তুলনায় প্রায় মিলিয়ন মিলিয়ন বেশি অর্থ আয় করা মেসি যে ক্যারিয়ারের অন্তিম মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন তা একেবারেই অচিন্ত্যনীয়  ছিল। মেসিকে সতীর্থ হিসেবে পেয়ে মিয়ামির খেলোয়াড়রা যেন আকাশে উড়ছে। মেসিও তাদের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে গেছেন, যা তার অবয়বেই স্পষ্ট। 

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ফুল-ব্যাক ডিআন্দ্রে ইয়েডলিন বলেছেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমার কাছে মনে হয়েছে মেসিই আমাদের আপন করে নিয়েছেন। তিনি এখানে এসেছেন ঠিকই, কিন্তু নিজেকে জাহির করতে নয়। খুবই সাধারণ ভাবে অন্যদের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন তিনি।’

ইয়েডলিনের কাছ থেকেই মেসি মিয়ামির অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পেয়েছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে খেলেছেন ইয়েডলিন। মার্কিন এই ডিফেন্ডার আরো বলেন, অনুশীলনে মেসির জন্য আলাদা বিশেষ কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। 

তিনি বলেন, ‘আমরা যা খাচ্ছি সেই একই খাবার তারাও খাচ্ছে, আমরা যেভাবে অনুশীলন করছি সেটাই তারা করছে, একই ট্রেইনার ব্যবহার করছে। কোনো কিছুতেই কোনো পার্থক্য নেই। সে কারণেই আমরা অনুভব করছি তারা আমাদেরই একটি অংশ। আর এটা আমাদের সাহায্য করছে।’

এদিকে ১৯ বছর বয়সী ফুল-ব্যাক নোহা অ্যালেন বলেছেন মেসির সঙ্গে খেলতে পারাটা সত্যিই আনন্দের, ‘সে আসাতে আমরা পুরোটা সময় দারুণ উপভোগ করছি। দলের মধ্যে সে বাড়তি অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে। আমরা আরো বেশি করে মনোযোগী হয়েছি। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলতে পারার অনুভূতি আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!