ম্যাচের শুরু থেকে গোলের ভালো সুযোগগুলো অবশ্য সৃষ্টি করেছিল নাইজেরিয়াই। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংল্যান্ডের প্লে মেকার লরেন জেমসকে। ১০ জনের দলে পরিণত হলে আরো সংকেট পড়ে যায় ইংল্যান্ড।
তারপরও অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচে নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে সক্ষম হয় ইংলিশ নারীরা। ফলে গোলশুন্য ড্রয়ের মাধ্যমে সময় শেষ হয়। ৫০ হাজার দর্শকের সামনে শেষপর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ১০ জনের ইংল্যান্ড।
.png)
এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়া অথবা জ্যামাইকাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে যাচ্ছে তারা। আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে ইংলিশ নারীদের সেমিফাইনালে ওঠার ম্যাচ।
টাইব্রেকারের শুরুতেও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল ইংলিশদের। জর্জিয়া স্ট্যানওয়ের প্রথম শটের বলটিই পোস্টের বাইরে চলে যায়। তবে সুযোগটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন পরের শট নিতে আসা ডিজায়ার ওপারানোজি।
দ্বিতীয় দফায় ইংল্যান্ডের বেথ ইংল্যান্ড কোন ভুল করেননি। লক্ষ্যভেদ করেন সরাসরি। তবে পোস্টের উপর দিয়ে এবার বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেন প্রতিপক্ষের শ্যুটার মিশেল অ্যালোজি। যেটি বাড়তি সুবিধা এনে দেয় ইংলিশ শিবিরে।
এরপর গ্রিনউড এবং উচেইবি নিজ নিজ দলের পক্ষে গোল করলেও ইংলিশদের হয়ে বেশ ঠান্ডা মাথায় চতুর্থ ও শেষ গোল করেন ক্লো কেলি। এতেই জয় নিশ্চিত হয় ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নদের।