ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডেনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এশিয়া কাপের ১৩তম আসর যৌথভাবে আয়োজন করছে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। ২০০৮ সালের পর এবারই প্রথম ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
এ বছর মোট ১৩ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৪টি পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো শ্রীলংকায়। এবার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই হওয়ার কথা ছিল এককভাবে পাকিস্তানে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনায় ভারতের আপত্তির মুখে তাতে ভাগ বসায় শ্রীলংকা।
.png)
এশিয়ান ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পেতে লড়বে মোট ৬ দল। সেগুলো হলো পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ভারত, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও নেপাল। এবার এই টুর্নামেন্টে অভিষেক হতে যাচ্ছে নেপালের। পাকিস্তানের মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তাদের ম্যাচ দিয়েই টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে।
আসন্ন এশিয়া কাপে দলগুলো দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ ৪ দল খেলবে সুপার ফোরে। সেখান থেকে সেরা দুটি ফাইনালে শিরোপার যুদ্ধে নামবে। টাইটেল নির্ধারণী ম্যাচ গড়াবে ৭ সেপ্টেম্বর।
পাকিস্তানে নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান খেলতে রাজি হয়েছে। তবে ভারত খেলবে শুধু শ্রীলংকায়। গ্রুপপর্বে প্রত্যেক দল ৩টি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।
এরই মাঝে এশিয়া কাপের ধারাভাষ্যকার ও উপস্থাপকদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১২ জন সাবেক খেলোয়াড় এই তালিকায় রয়েছেন। এর মধ্যে ভারতের ৫ জন, পাকিস্তানের ৪ জন এবং শ্রীলংকা বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড থেকে ১ জন করে এশিয়া কাপের মঞ্চ ও প্রেস বক্স মাতাবেন।
ধারাভাষ্যকার ও উপস্থাপকদের তালিকা:
আতাহার আলি খান (বাংলাদেশ)
গৌতম গম্ভীর (ভারত)
ইরফান পাঠান (ভারত)
রবি শাস্ত্রী (ভারত)
সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার (ভারত)
দ্বীপ দাসগুপ্ত (ভারত)
ওয়াসিম আকরাম (পাকিস্তান)
ওয়াকার ইউনিস (পাকিস্তান)
বাজিদ খান (পাকিস্তান)
রমিজ রাজা (পাকিস্তান)
রাসেল আর্নল্ড (শ্রীলংকা)
স্কট স্টাইরিস (নিউজিল্যান্ড)