ট্রান্সফারমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, আল হিলালের মার্কেট ভ্যালু ১৬১ মিলিয়ন ইউরো। আর ইন্টার মায়ামির মার্কেট ভ্যালু ৮৪ মিলিয়ন ইউরো। দুই ক্লাবের মান বিশ্লেণণ করলে দেখা যাবে, মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামি থেকে খেলার মান, খেলোয়াড়ের মানসহ সবদিক থেকেই এগিয়ে সৌদি আরবের আল হিলাল।
দুই দলের মূল একাদশ দেখা যায়, ইন্টার মায়ামিতে মেসি, জর্দি আলবা এবং বুস্কেটস ব্যতীত বড় কোনো নাম নেই। অন্য যেসব ফুটবলার রয়েছেন সেগুলো খুবই সাধারণ মানের ফুটবলার।
.png)
অন্যদিকে, নেইমার ব্যতীত আল হিলালে অনেক মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছেন যারা ইউরোপে লম্বা সময় খেলেছেন। এমএলএসে মেসি ব্যতীত বড় কোনো নাম না থাকলেও বর্তমানে অনেক তারকা ফুটবলারই সৌদি লিগের বিভিন্ন ক্লাবে যোগ দিচ্ছে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, সাদিও মানে, করিম বেনজেমার মতো বিশ্বমানের ফুটবলাররা সৌদি লিগ মাতাচ্ছে।
মেজর লিগ সকার (এমএলএস) এবং সৌদি প্রো লিগের মধ্যে তুলনা করলেও বেশ বড় ব্যবধানেই এগিয়ে থাকবে সৌদি আরবের লিগ। সেখানকার লিগের নাম যেমন উন্নত, তেমনি দলগুলোও বেশ শক্তিশালী এবং প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক।
আল হিলালের রয়েছেন সৌদি আরবের মূল গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল ওয়াইস। ক্লাবটির রক্ষণভাগের মূল দায়িত্বে রয়েছে- সৌদ আব্দুল হামিদ (সৌদি আরব), কালিদু কুলিবালি (সেনেগাল), আলি আল বুলিয়াহে (সৌদি আরব), ইয়াসির আল শাহরানী (সৌদি আরব)।
আল হিলালের মধ্যমাঠে বড় নাম হিসেবে রয়েছে- মোহাম্মেদ কান্নো (সৌদি আরব), সার্জেজ মিলিনকোভিচ-সাভিক (সার্বিয়া/স্পেন), রুভেন নেভেস (পর্তুগাল)।
উইঙ্গার- মাইকেল (ব্রাজিল), সালেম আল-দোসারি (সৌদি আরব)। ফরোয়ার্ড ম্যালকম (ব্রাজিল)।
অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামিতে মেসি, জর্দি আলবা এবং বুস্কেটস ব্যতীত তেমন বড় কোনো নাম নেই। সবমিলিয়ে, দুই দলের তুলনামূলক পার্থক্য করলে সৌদি আরবের আল হিলাল যে স্পষ্টভাবে ইন্টার মায়ামি থেকে অনেক রয়েছে।