ওই দিনে ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মুজিব উর রহমানের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হন অধিনায়ক বাবর আজম। ৭ রানে দুই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর ইনিংস মেরামত করার আগেই দলীয় ৪০ রানে মুজিবের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হয়ে ফেরেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান।
১৬.৩ ওভারে দলীয় ৬২ রানে রশিদ খানের লেগ স্পিনে বিভ্রান্ত হন আগা সালমান। ওপেনার ইমাম-উল-হক ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৬তম ওভারের শেষ বলে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন। তার আগে ৯৪ বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৬১ রান।
.png)
সহ-অধিনায়ক শাদাব খানও লেজের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে লড়াই করে যান। তার কারণেই দলীয় স্কোর দুইশো পার করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান।
দলীয় ১৯৮ রানে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন শাদাব খান। তার আগে ৫০ বলে ৩টি বাউন্ডারির সাহায্যে দলের হয়ে করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ রান।
৪১ বলে ৩০ রান করেন ইফতেখার আহমেদ। এছাড়া ২১ রান করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ২৭ বলে অপরাজিত ১৮ রান করেন পেস বোলার নাসিম শাহ।
ইমাম-উল-হকের ৬১ এবং শাদাব খানের ৩৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৭.১ ওভারে ২০১ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।