এ বছর দু’টি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের কাছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারে দলটি। এরপর গত এপ্রিলে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪-১ ব্যবধানে হারায় পাকরা।
এটাই ছিলো চলতি বছর পাকিস্তানের সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ। এরপর এ সপ্তাহেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে পাকিস্তান। বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ১৪২ রানের বড় জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করেছে দলটি।
.png)
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে এক পডকাস্টে ইমাম বলেন, ‘আমি বর্তমানে থাকতেই ভালোবাসি। আমি এই মুহূর্তে বিশ্বকাপ (ওয়ানডে) নিয়ে ভাবছি না। হ্যাঁ, বিশ্বকাপের ভাবনা আমার মধ্যে আছে। বিশ্বকাপের জন্য সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।
প্রতিপক্ষ দলগুলো আমাদের ভালোভাবেই জানে এবং সত্যি ভয় পায়। কারণ এই ফরম্যাটে আমরা দারুণ কিছু জয় পেয়েছি। আমাদের নির্দিষ্ট একটা প্যাটার্ন আছে, যা আমরা মেনে চলি। আমাদের ওয়ানডে দল খুবই ভালো বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’
পাকিস্তান দলের শক্তির জায়গা নিয়েও কথা বলেন ইমাম। তিনি জানান, ফখর জামান ও বাবর আজমের মত ব্যাটার এবং আফ্রিদি-শাদাব-আগা সালমানের মত ক্রিকেটাররা দলের মধ্যে ভারসাম্য এনেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের শক্তি হল পেস বোলিং এবং ব্যাটিং। আমি ৬০টি ম্যাচ খেলেছি, ফখর ৭০টি ও বাবর ১০০-র বেশি ম্যাচ খেলেছে। আর আছেন- নাসিম, শাহিন, হারিস, ওয়াসিম জুনিয়ররা।
তারপরও শাদাব, নওয়াজ, আগা, ইফতিখার, রিজওয়ান, উসামা মিরের মতন ক্রিকেটাররাও আছেন। আমি বিশ্বাস করি এর চেয়ে ভালো দল আর হতে পারে না। খেলোয়াড়রা সকলেই নিজেদের ভূমিকা জানে।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষে ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে মুলতানে নেপালের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। ২ সেপ্টেম্বর শ্রীলংকার ক্যান্ডিতে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের পরের ম্যাচ খেলবে দলটি।