এর আগে দিনের শুরুতে এশিয়া কাপে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করলেও মাঝে ভারতীয় বোলাদের কাছে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন নেপালি ব্যাটটাররা। এমন সময় দলের হাল ধরেন আসিফ শেখ। তুলে নেয় ক্যারিয়ারে দশম অর্ধশতক। এরপর নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে নেপাল।
শুরু থেকেই দেখে খেলতে থাকেন কুশল ও আসিফ। তবে একটু পরই আক্রমণ শুরু করেন তারা। ষষ্ঠ ওভারে মোহাম্মদ সিরাজকে ছক্কা হাঁকিয়ে অন্য কিছুরই যেন ইঙ্গিত দেন কুশল।
.png)
দারুণ ব্যাট করতে থাকা ভুরটেল পরাস্ত হন দশম ওভারে। শার্দুল ঠাকুরের নিরীহ এক ডেলিভারিতে খোঁচা দিতে গিয়ে ঈশান কিষাণের তালুবন্দী হন তিনি। এর আগে মাত্র ২৫ বলে করেন ৩৮ রান।
এমন ম্যাচে ওপেনার ভুরটেলের আউট হওয়ার পর মাঠে নেমে ছিলেন ভিম শারকি। তিনিও বেশিক্ষণ মাঠে টিকে থাকতে পারেননি। রবীন্দ্র জাদেজার বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন তিনি। ভিম করেন ১৭ বলে ৭ রান।
নেপালের অধিনায়ক রোহিত পৌডেল ও কুশাল মাল্লা ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে থিতু হতে পারেননি। জাদেজার বলে আউট হয়ে দুইজনে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন।
৩৭.৫ ওভারের খেলা শেষে পাল্লেকেলে বৃষ্টি শুরু হয়। পিচ ঢাকার জন্য কভার আনা হয়েছিল। কিছু ক্ষণ পরেই বৃষ্টি থেমে যায়। ফলে আবার খেলা শুরু হয়।
সপ্তম উইকেটে ৫০ রানের জুটি বেঁধেছিল নেপাল। সেই জুটি ভাঙলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। দিপেন্দ্র সিংকে ২৯ রানের মাথায় আউট করলেন তিনি। এরপর নামেন সন্দ্বীপ লামিচানে। অন্যপ্রান্ত আগলে রাখেন সোমপাল কামি। এই দুই জনের জুটিতে দুইশত রান পার করে নেপাল।
শেষ দিকে সোমপাল দলকে লড়াকু পুঁজি পর্যন্ত নিয়ে যান। ৫৬ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় ৪৮ রান করেন ডানহাতি এই ব্যাটার, হন শামির শিকার। ৪৮.২ ওভারে ২৩০ রানে অলআউট হয় নেপাল।
মোহাম্মদ সিরাজ আর রবীন্দ্র জাদেজা নেন তিনটি করে উইকেট।