ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
এশিয়া কাপ

১৯৩ রানে অল আউট বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:৩১, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
১৯৩ রানে অল আউট বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

হতাশার শুরুর পর ব্যাট হাতে আশার আলো দেখিয়েছিলেন সাকিব ও মুশফিক। তবে দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারলেন না তারা। আর শেষ দিকের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় একপর্যায়ে ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখলেও অল্পেই থামতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

পাকিস্তানের লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। যেখানে স্বাগতিকদের বোলিং তোপে ৫০ ওভারও খেলতে পারেনি টাইগাররা। ৩৮.৪ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে লাল-সবুজদের সংগ্রহ ১৯৩ রান।

দিনের শুরুটা অবশ্য ভালোই ছিল। যেখানে টস জিতে হাসিমুখে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে সেই হাসি মিলিয়ে যেতে বেশি সময় লাগেনি। পাক বোলারদের তোপে দলীয় অর্ধশতকের আগেই ৪ উইকেট হারায় টাইগাররা।

Advertisement

ঠিক ২৮ ম্যাচ পর দলের সংগ্রহ ৫০ পূরণের আগেই এমন পরিস্থিতির মুখে পড়ে বাংলাদেশ। যেখানে মেকশিফট ওপেনার ও আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মেহেদী হাসান মিরাজ ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই।

নাঈম শেখ ২০ রানে ফেরেন। এ ম্যাচে দলে যোগ দেওয়া লিটন দাস ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয়ও মাত্র ২ রানে বোল্ড হলে অল্পেই অল আউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ।

এমন সময় দলের হাল ধরেন দীর্ঘদিনের দুই পরীক্ষিত সৈনিক সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। তাদের ব্যাটে ধীরে ধীরে এগোতে থাকে টাইগাররা। তবে যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় চলে এসেছে, ঠিক তখনই সাকিবের বিদায়।

ফাহিম আশরাফকে পুল করতে গিয়ে সাকিব যখন সাজঘরে ফেরেন, তার একটু আগেই মুশফিকের সঙ্গে জুটিটা ১০০ ছুঁয়েছিল। সাকিব নিজেও দীর্ঘদিন পর পেয়েছিলেন ফিফটির স্বাদ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৪তম ফিফটির ইনিংসটি অবশ্য বড় করতে পারেননি তিনি।

এরপরের গল্পটা শুধুই আসা যাওয়ার। আরেক ভরসার নাম মুশফিকও অবশ্য ফিফটি করেছেন। সপ্তম উইকেট হিসেবে আউট হওয়ার আগে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন তিনি। এর আগে শামীম পাটোয়ারি ফিরেছিলেন ১৬ রানে।

বাকি গল্পটা শুধুই হতাশার। মাত্র ৩ রানে শেষ চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। যার ফলে এক পর্যায়ে ভালো রানের স্বপ্ন দেখা টাইগারদের ইনিংস পেরোতে পারেনি ২০০ রানের গণ্ডি। ব্যাটিং উইকেটে ব্যাটারদের আত্মহত্যার মিছিলে অল্পেই থামে সাকিবের দল।

পাকিস্তানের হয়ে এ ম্যাচে একাই চার উইকেট শিকার করেন হারিস রউফ। এছাড়া নাসিম শাহ তিনটি এবং শাহিন শাহ আফ্রিদি, ফাহিম আশরাফ ও ইফতিখার আহমেদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!