এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩৪ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ ১৪৬ রান। ব্যাট করছেন শুভমান গিল (৭৮*) ও রবীন্দ্র জাদেজা (৩*)।
এর আগে টাইগারদের দেয়া ২৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই শূণ্য রানে ফিরেন রোহিত শর্মা। সাকিবের করা ইনিংসের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ড্রাইভ করতে দিয়ে কাভার-পয়েন্টে এনামুল বিজয়ের তালুবন্দী হয়েছেন তিনি। এরপরের ওভারে আবারো সাকিবের আঘাত। নিজের দ্বিতীয় ওভারে তিলক ভার্মাকে বোল্ড করেন তিনি। ৫ রানে ফিরে তিলক।
তিলক আউট হওয়ার পরে মাঠে নামে লোকেশ রাহুল। তার সঙ্গী হন ওপেনিং নামা শুভমান গিল। এই দুইজন মিলে ৮৭ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১৭.১ ওভারে মাহাদী হাসানের বলে আউট হন লোকেশ। এ সময় শামীম পাটোয়ারি হাতে ক্যাচ তুলে ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরেন তিনি। অপর দিকে মাঠে নামা ঈশাণ কিষাণও বেশিক্ষণ পিচে থিতু হতে পারেননি। ৫ রানে মেহেদী হাসান মিরাজে বলে এলবিডব্লিউ ফাঁদে আউট হয়েছে। কিষাণ আউট হয়ে গেলে মাঠে নামেন সূর্যকুমার যাদব।
.png)
দলীয় ৩২.৪ ওভারে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ড হয়ে প্যালিভিয়নের পথে হাঁটা দেন সূর্যকুমার যাদব। এ সময় তিনি করেন ২৬ রান। মাঠে নামেন রবীন্দ্র জাদেজা। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ব্যাট করছেন তিনি।
এর আগে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা।
বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস। ম্যাচের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন অভিষেকে শূন্য রানে আউট হওয়া তানজিদ হাসান তামিম।
নিজের দ্বিতীয় ও ম্যাচের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই লিটনকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ শামি। এ ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন টাইগারদের সহ অধিনায়ক।
এরপর বাইশ গজে আসেন এনামুল হক বিজয়। ম্যাচের চতুর্থ ওভারের শুরুতেই শার্দুল ঠাকুরের শর্ট লেংথের বলটি পুল করতে গিয়ে বোল্ড হন তামিম। আউট হওয়ার আগে তিন বাউন্ডারিতে ১৩ রান করেন এ বাঁ-হাতি ব্যাটার।
দলের হাল ধরতে ক্রিজে আসেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। এরপরই উইকেট বিলিয়ে দেন এনামুল হক বিজয় (৪)। এ ম্যাচে দুইবার জীবন পেয়েও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মেহেদী মিরাজ।
ম্যাচের ১৪তম ওভারের শেষ বলে অক্সারের ঘূর্ণিতে রোহিতের তালুবন্দী হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৩ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে সাকিব-হৃদয় জুটিতে চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে টিম টাইগার্স। এমন সময় চাপের মুখে দারুণ ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারে ৫৫তম ফিফটি তুলে নেন সাকিব আল হাসান। খেলার ২৬তম ওভারে অক্সার প্যাটেল ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূরণ করেছেন তিনি। তবে ফিফটির পর বেশিক্ষণ পিচে টিকে থাকতে পারেননি সাকিব।
দলীয় ৩৩.১ ওভারে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন সাকিব। বাংলাদেশের অধিনায়ক করেন ৮৫ বলে ৮০ রান। সাকিব আউট হলে মাঠে নামে শামীম পাটোয়ারী। তিনিও বেশিক্ষণ পিচে থিতু হতে পারেননি।
জাদেজার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে হাঁটা দেন শামীম। তার উইকেটে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০০তম উইকেটে স্পর্শ করেন জাদেজা। এরপর পর মাঠে নামেন নাসুম।
৪১.২ ওভারে দলীয় ১৯৩ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মোহাম্মদ শামির বলে ডিপ স্কয়ারে লেগে তিলক ভর্মার হাতে ক্যাচ আউট হন হৃদয়। তিনি করেন ৮১ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫৪ রান। শেষ দিকে দলের হাল ধরেন নাসুম। খেলেন করেন ৪৫ বলে ৪৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস।
দলীয় ৪৭.২ ওভারে প্রষিধ কৃষ্ণা বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা দেন নাসুম। অন্যদিকে অপরপ্রান্ত আগলিয়ে রাখেন মাহাদী। নাসুম আউট হলে প্রথমবারের মাঠে নামেন অভিষিক্ত হওয়া তরুণ তানজিম হাসান সাকিব। শেষ দিকে এদুই জনের ২৭ রানের জুটিতে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
এ ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর, দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি এবং একটি করে উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা, অক্সার প্যাটেল ও প্রষিধ কৃষ্ণা।