একসময় এশিয়া কাপে খেলতো চার দল। পরবর্তীতে কখনো পাঁচটি, আবার কখনো ছয়টি দলও খেলেছে। তবে এর আগে কখনোই এই টুর্নামেন্টে খেলেনি নেপাল। বাছাইপর্ব পেরিয়ে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসরে জায়গা করে নেয় হিমালয়কন্যা দেশটি।
শেষ দল হিসেবে এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত করে নেপাল। ১০ দলের এশিয়া কাপ বাছাই টুর্নামেন্টের ফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল তারা।
.png)
টুর্নামেন্টে ‘এ’ গ্রুপে ছিল নেপাল। যেখানে দলটি প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল ভারত ও পাকিস্তান। মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরাশক্তিকে সহজে সুপার ফোরে তুলে দিতেই যেন নেপালকে এই গ্রুপে রাখে এসিসি। হয়েছেও তাই। তবে নেপালের খেলা মুগ্ধ করেছে সবাইকে।
৩০ আগস্ট এশিয়া কাপের উদ্বোধনী দিনে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টে নেপালের অভিষেক হয়। মুলতানে আগে ব্যাট করে ৩৪২ রানের বড় সংগ্রহ পায় স্বাগতিক পাকিস্তান। জবাবে মাত্র ১০৪ রানে অল আউট হয়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে হিমালয়ের দেশ।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে সাহসী ক্রিকেট উপহার দেয় নেপাল। পাল্লেকেলেতে ভারতের বিপক্ষে দলটির শুরু ছিল দুর্দান্ত। উদ্বোধনী জুটিতেই নেপাল পায় ৬৫ রান। রোহিত শর্মাদের বিপক্ষে অল আউট হওয়ার আগে ২৩০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় তারা।
জবাবে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ১০ উইকেটে জয় পায় ভারত। তবে ব্যাট হাতে নেপালিরা যে সাহসী খেলা উপহার দিয়েছে তা মুগ্ধ করে সবাইকে। পর্যাপ্ত সুযোগ পেলে তারা সামনে আরো ভালো খেলা উপহার দিতে পারবে, এবারের এশিয়া কাপে এটাই যেন ছিল নেপালের বার্তা।