বুধরার দপুরে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আগে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এ সময় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ইনিংস উদ্বোধন নামেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। মাঠে নেমে অজি এই দুই ওপেনার সাবধানী ব্যাটিং শুরু করেন।
দলীয় ৩.৫ ওভারে ভুল করে বসেন মার্শ। লোগান ফন বিকের বলে কলিন অ্যাকারম্যানের হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফিরেন মিচেল মার্শ। এ সময় তিনি করেন ১৫ বলে ৯ রান। এরপর মাঠে নামেন স্টিভেন স্মিথ। তিনি সঙ্গ দেন ডেভিড ওয়ার্নারের। দুইজনের মিলে সাবধানী ব্যাটিংয়ে অর্ধশত রানের জুটিতে দলীয় শতক পার করে অস্ট্রেলিয়া। এরপর দেখে-শুনে খেলে ক্যারিয়ারের ৩২তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন ডেভিড ওয়ার্নার।
.png)
দলীয় ১৭.২ ওভারে বিক্রম সিংয়ের বলে চার মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন ওয়ার্নার। এই অর্ধশতকের হওয়ার পথে তিনি খরচ করেন ৪০ বল।ওয়ার্নারে ফিফটির কিছুক্ষণ পরে ক্যারিয়ারে ৩১তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন স্টিভেন স্মিথও। ফিফটির করার কিছুক্ষণ পরেই ভুল করেন তিনি।
দলীয় ২৩.৩ ওভারের আরিয়ান দত্তের বলে ফন ডার মারউইয়ে হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরেন স্মিথ। এসময় তিনি করেন ৬৮ বলে ৭১ রান। স্মিথ আউট হওয়ার পর মাঠে নামা মার্নাস লাবুশেনও দেখে শুনে খেলতে থাকেন। তাকে ভালো সঙ্গ দেন ওপেনিং নামা ওয়ার্নার।দলীয় ৩৪.৪ ওভারের বাস ডি লিডের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ফিফটির পথে লাবুশেন খরচ করেন ৪১ বল।
ফিফটির পর স্মিথের মতো পিচে থিতু হতে পারেননি লাবুশেন। দলীয় ৩৬.১ ওভারের ঘটে বিপত্তি। বাস ডি লিডের বলে আরিয়ান দত্তের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথে ফিরেন তিনি। তাতে ভেঙে যায় ৭৬ বলে ৮৪ রানের জুটি। যাওয়ার আগে লাবুশেন খেলেন ৪৭ বলে ৬২ রানের ইনিংস। লাবুশেন আউট হওয়ার পর মাঠা নামা জশ ইংলিসও বেশিক্ষণ পিচে থিতু হতে পারেননি। ১৪ বলে ১২ রান করে বাস ডি লিড বলে ক্যাচ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন জশ।
অস্ট্রেলিয়া দল: ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, জশ ইংলিস,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), জশ হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক,অ্যাডাম জাম্পা।
নেদারল্যান্ডস দল: ম্যাক্স ও’দাউদ, বিক্রম সিং, কলিন অ্যাকারম্যান, বাস ডি লিড. তেজা নিদামানুরু, স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), রুলফ ফন ডার মারউই, লোগান ফন বিক, আরিয়ান দত্ত, সিব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট, পল ফন মিকেরেন।