আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরুর পর টানা চার ম্যাচে হারের লজ্জা পায় বাংলাদেশ। এতে পয়েন্ট টেবিলের নীচের দিকে ছিটকে পড়ে টাইগাররা। অভিজ্ঞতা এবং শক্তির বিচারে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামছে টাইগাররা।
চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একটি করে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ৩৫ রানের জয় ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
.png)
সেমিফাইনালের লক্ষ্যে বিশ্বকাপ শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম ম্যাচের পর টানা চার হারে সে স্বপ্ন ফিকে হয়ে গেছে। দশ দলের টুর্নামেন্টে অষ্টমস্থানে টাইগাররা। বাংলাদেশের সমান ২ পয়েন্ট থাকলেও রান রেটে পিছিয়ে টেবিলের তলানিতে নেদারল্যান্ডস।
নিজেদের শেষ ম্যাচে শোচনীয় হারের স্মৃতি নিয়ে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। অজিদের কাছে ৩০৯ রানে হেরে ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় পরাজয়ের স্বাদ পায় ডাচরা। অন্যদিকে প্রোটিয়াদের কাছে ১৪৯ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ হেরেছিলো টাইগাররা।
২০১১ বিশ্বকাপে একবার মুখোমৃুখি হয়েছে বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপ আসরে সেই একবারই মুখোমুখি হওয়া ম্যাচে ডাচদের মাত্র ১৬০ রানে অলআউট করে দিয়ে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছিল টাইগাররা।
অবশ্য ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম সাক্ষাতে ৬ উইকেটে হেরেছিলো বাংলাদেশ। আগামীকালের ম্যাচটি এই ফরম্যাটে দু’দলের তৃতীয় লড়াই। নিজেদের সম্মান টিকিয়ে রাখতে ও সমর্থকদের স্বস্তি দিতে জিততে চাইবে বাংলাদেশ।
স্বাভাবিকভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাওয়া জয় থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজবে নেদারল্যান্ডস। যেকারণেই আরও একবার অঘটনের জন্ম দিতে চাইবে ডাচরা।
বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, মাহেদী হাসান, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান।
নেদারল্যান্ডস দল: স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), কলিন অ্যাকারম্যান, শারিজ আহমেদ, ওয়েসলি বারেসি, লোগান ফন বিক, আরিয়ান দত্ত, সিব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট, রায়ান ক্লাইন, বাস ডি লিড, পল ফন মিকিরেন, রুলফ ফন ডার মারউই, তেজা নিদামানুরু, ম্যাক্স ও’দাউদ, বিক্রম সিং ও সাকিব জুলফিকার।