ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৩

ফিরলেন নিশাম, বড় হারের শঙ্কায় নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:০১, ১ নভেম্বর ২০২৩
ফিরলেন নিশাম, বড় হারের শঙ্কায় নিউজিল্যান্ড
ছবি- সংগৃহীত

বিশ্বকাপে নিজেদের সপ্তম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়ছে নিউজিল্যান্ড। যেখান েকেশব মহারাজের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েছেন কিউই ব্যাটার জেমস নিশাম। তার বিদায়ে বড় হারের শঙ্কায় পড়েছে টম লাথামের দল।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২৬.৪ ওভারে আট উইকেটে ১১১ রান।

বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে চার উইকেটে ৩৫৭ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এতে নিউজিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ রান।

Advertisement

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে নিউজিল্যান্ড। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ডেভন কনওয়ে ও উইল ইয়ং। ব্যাট হাতে দেখেশুনে খেলতে থাকেন এ দুই ব্যাটার।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে কনওয়েকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন মার্কো জানসেন। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন রাচিন রবীন্দ্র। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই সাজঘরে ফিরেছন রবীন্দ্র।

এরপরই ড্রেসিংরুমের পথ ধরে উইল ইয়ং। কোয়েৎজের বলে ডি ককের তালুবন্দী হওয়ার আগে ২৯ করেন তিনি।

পরে দলের চাপ সামাল দিতে ক্রিজে আসেন কিউই দলপতি টম লাথাম। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেছেন।

উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি ড্যারিল মিচেল। কেশব মহারাজের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন তিনি। আউট হওয়ার আগে ২৪ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।

বাইশ গজে ঝড় তোলার আগেই ফিরেছেন টিম সাউদি, মিচেল স্যান্টনার ও জেমস নিশাম। নিয়মিত বিরতিতে ৮ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে কিউইরা। এখন ট্রেন্ট বোল্টকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন গ্লেন ফিলিপস।

এখন ফিলিপস ১৫ ও বোল্ট ৭ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় নিউজিল্যান্ড। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন কুইন্টন ডি কক ও টেম্বা বাভুমা। শুরু থেকেই দেখে খেলতে থাকেন দুজন। ইনিংসের নবম ওভারে এসে প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ট্রেন্ট বোল্টের বলে স্লিপে ধরা পড়েন বাভুমা। ২৪ রানে আউট হয়েছেন তিনি।

এরপর উইকেটে আসেন রাসি ফন ডার ডুসেন। তার সঙ্গে বড় জুটি গড়ে তুলেন ডি কক। পরে চলমান বিশ্বকাপের চতুর্থ সেঞ্চুরিটি তুলে নেন ডি কক। ম্যাচের ৩৬তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শতক পূরণ করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ডি কক-ডুসেন জুটির ব্যাট থেকে এসেছে ২০০ রান।

সেঞ্চুরির পর অবশ্য সাজঘরে ফিরতে হয়েছে ডি কককে। টিম সাউদির বলে গ্লেন ফিলিপসের তালুবন্দী হয়েছেন এ ব্যাটার। আউট হওয়ার আগে ১১৪ রান করেন তিনি।

তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন ডেভিড মিলার। এরপরই নিশামকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ব্যক্তিগত শতক তুলে নেন রাসি ফন ডার ডুসেন। শতকের পর দ্রুত গতিতে রান তুলেন রাসি। অবশ্য সাউদির বলে বোল্ট হয়ে ১৩৩ রানে থামতে হয়েছে তাকে।

শেষ মুহূর্তে ডেভিড মিলারের দুর্দান্ত ফিফটিতে প্রোটিয়াদের ইনিংস থামে ৩৫৭ রানে।

এদিন নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট শিকার করেন টিম সাউদি। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন জেমস নিশাম ও টেন্ট বোল্ট।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!