ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৩

কিউইদের বিধ্বস্ত করে প্রোটিয়াদের দাপুটে জয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:৪১, ১ নভেম্বর ২০২৩
কিউইদের বিধ্বস্ত করে প্রোটিয়াদের দাপুটে জয়
ছবি- সংগৃহীত

ত্রয়োদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এমন জয়ে চলমান বিশ্বকাপে নিজেদের অবস্থান আরো পাকাপোক্ত করলো প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে, বড় হারে সেমিফাইনালের জটিল সমীকরণের মারপ্যাচে আটকে গেল ব্ল্যাকক্যাপসরা।

বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে চার উইকেটে ৩৫৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৩৫.৩ ওভারে ১৬৭ রান তুলতেই গুটিয়ে যায় কিউইরা। এতে ১৯০ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টেম্বা বাভুমার দল।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় নিউজিল্যান্ড। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ডেভন কনওয়ে ও উইল ইয়ং। ব্যাট হাতে দেখেশুনে খেলতে থাকেন এ দুই ব্যাটার।

Advertisement

ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে কনওয়েকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন মার্কো জানসেন। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন রাচিন রবীন্দ্র। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই সাজঘরে ফিরেছন রবীন্দ্র।

এরপরই ড্রেসিংরুমের পথ ধরে উইল ইয়ং। কোয়েৎজের বলে ডি ককের তালুবন্দী হওয়ার আগে ২৯ করেন তিনি।

পরে দলের চাপ সামাল দিতে ক্রিজে আসেন কিউই দলপতি টম লাথাম। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেছেন।

উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি ড্যারিল মিচেল। কেশব মহারাজের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন তিনি। আউট হওয়ার আগে ২৪ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।

এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন কিউই ব্যাটাররা। প্রোটিয়াদের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন ৮ ব্যাটার। এদের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। 

তবে ব্যাট হাতে শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছেন গ্লেন ফিলিপস। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধ শতক তুলে নেন। এরপরই কোয়েৎজের বলে রাবাদার তালুবন্দী হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৬০ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।

এদিন প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন কেশব মহারাজ। এছাড়াও তিনটি উইকেট নিয়েছেন মার্কে জানসেন।

এর আগে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় নিউজিল্যান্ড। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন কুইন্টন ডি কক ও টেম্বা বাভুমা। শুরু থেকেই দেখে খেলতে থাকেন দুজন। ইনিংসের নবম ওভারে এসে প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ট্রেন্ট বোল্টের বলে স্লিপে ধরা পড়েন বাভুমা। ২৪ রানে আউট হয়েছেন তিনি।

এরপর উইকেটে আসেন রাসি ফন ডার ডুসেন। তার সঙ্গে বড় জুটি গড়ে তুলেন ডি কক। পরে চলমান বিশ্বকাপের চতুর্থ সেঞ্চুরিটি তুলে নেন ডি কক। ম্যাচের ৩৬তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শতক পূরণ করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ডি কক-ডুসেন জুটির ব্যাট থেকে এসেছে ২০০ রান।

সেঞ্চুরির পর অবশ্য সাজঘরে ফিরতে হয়েছে ডি কককে। টিম সাউদির বলে গ্লেন ফিলিপসের তালুবন্দী হয়েছেন এ ব্যাটার। আউট হওয়ার আগে ১১৪ রান করেন তিনি।

তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন ডেভিড মিলার। এরপরই নিশামকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ব্যক্তিগত শতক তুলে নেন রাসি ফন ডার ডুসেন। শতকের পর দ্রুত গতিতে রান তুলেন রাসি। অবশ্য সাউদির বলে বোল্ট হয়ে ১৩৩ রানে থামতে হয়েছে তাকে।

শেষ মুহূর্তে ডেভিড মিলারের দুর্দান্ত ফিফটিতে প্রোটিয়াদের ইনিংস থামে ৩৫৭ রানে।

এদিন নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট শিকার করেন টিম সাউদি। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন জেমস নিশাম ও টেন্ট বোল্ট।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!