ফ্লুমিনেন্সের হয়ে জন আরিয়াস ও জে কেনেডি গোল দুটি করেন। পুরো ম্যাচে আল আহলি ২০টি শট করে যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ফ্লুমিনেন্স ১৪টি শট করে লক্ষ্যে রাখতে পারে ৫টি। তবে বল পজিশনে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি ৬৬ শতাংশ নিজেদের কাছে রাখে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল পজিশন ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণে আল আহলিকে ব্যস্ত করে রাখে ফ্লুমিনেন্স। আহলিও ছেড়ে কথা বলেনি। তারাও ফ্লুমিনেন্সের রক্ষণে মুহুর্মুহু আক্রমণ শানায়। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।
.png)
দ্বিতীয়ার্ধে এসে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে দু’দল। শেষ পর্যন্ত ডেডলক ভাঙে ম্যাচের ৭১তম মিনিটে। সফল স্পট কিক থেকে দলকে লিড এনে দেন কলম্বিয়ান ফুটবলার জন আরিয়াস। এরপর আর প্রতিরোধ গড়তে পারেনি আল আহলি।
উল্টো ম্যাচের ৯০তম মিনিটে ব্যবধান দিগুণ করে ফ্লুমিনেন্স। ম্যাথিয়াস মার্টিনেল্লির অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে আহলির বিদায় নিশ্চিত করেন জন কেনেডি। আজ রাতে অপর সেমিফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি ও উরাওয়া রেডসের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দল আগামী ২৩ ডিসেম্বর ফাইনালে ফ্লুমিনেন্সের মুখোমুখি হবে।