শেষ পর্যন্ত ফরাসি জায়ান্টদের ছেড়ে মেসি চলে যান মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। যেখানে তার শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। একক পারফরম্যান্সে দলটিকে তাদের ইতিহাসের প্রথম শিরোপা পাইয়ে দেন। সেই সঙ্গে আরেকটিতে নিয়ে যান ফাইনালে।
কিন্তু মেসি ইনজুরিতে থাকায় খেলা হয়নি সেই ফাইনাল। এতে দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলার সুযোগ হারায় মায়ামি। এমএলএসেও চোটের কারণে খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। ক্লাব ফুটবল উত্থান-পতনের মধ্যে গেলেও জাতীয় দলের জার্সিতে আলো ছড়িয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
.png)
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ ও বিশ্বকাপ বাছাই মিলিয়ে পুরো বছরে মাত্র একটি ম্যাচেই হারের মুখ দেখেছে আর্জেন্টিনা। তাও সেটি উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-০ গোলে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে। সেটি বাদ দিলে বছরটা ছিল মেসি ও আর্জেন্টিনার জন্য দুর্দান্ত।
২০২৩ সালে মেসি সব মিলিয়ে ৪৫ ম্যাচে মাঠে নেমে করেছেন ২৮ গোল। পিএসজির জার্সিতে ৯, মায়ামির জার্সিতে ১১ এবং আর্জেন্টিনার জার্সিতে রয়েছে ৮ গোল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় এই ২৮ গোলের কোনোটিই মেসি পেনাল্টি থেকে করেননি।
অর্থাৎ ২০২৩ পঞ্জিকাবর্ষে মেসির কোনো গোল পেনাল্টি থেকে আসেনি। বিষয়টি এমন নয় যে মেসি পেনাল্টি নিয়েছেন কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি এ বছর কোনো পেনাল্টিই নেননি। বরং পেনাল্টি পেয়েও সতীর্থদের ছেড়ে দিয়েছেন এলএমটেন।
আর এমন ঘটনা মেসির ক্যারিয়ারে ১৭ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো ঘটলো। এর আগে ২০০৬ সালে পেনাল্টিতে কোনো গোল ছাড়া বছর শেষ করেছিলেন ফুটবল জাদুকর।
২০০৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতি মৌসুমেই পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন মেসি। যেখানে বার্সেলোনার হয়ে ২০১২ সালে পেনাল্টিতে সবচেয়ে বেশি ১৪টি গোল করেছিলেন মেসি। এটিই ছিল তার ক্যারিয়ারে এক বছরে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি গোল।
মেসির ক্যারিয়ারে পেনাল্টি গোলে দ্বিতীয়বার দুই অঙ্ক স্পর্শ করেছিলেন ২০১৭ সালে। সেবার তার গোলসংখ্যা ছিল ১০টি। আর বিশ্বকাপ জয়ের বছরে মেসি পেনাল্টি থেকে সবমিলিয়ে ৬ গোল করেছিলেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে করা গোলই এখন পর্যন্ত মেসির ক্যারিয়ারে করা সর্বশেষ পেনাল্টি গোল।