এর আগে সংবাদ সম্মেলনে বেশ আবেগী ছিলেন ওয়ার্নার। বিশেষ করে বন্ধু উসমান খাজার সম্পর্কে বলতে গিয়ে। যেমনটা খুব সচরাচর দেখা যায় না তার ক্ষেত্রে।
পাঁচ বছর বয়স থেকে ওয়ার্নারের সঙ্গে বন্ধুত্ব খাজার। বয়সভিত্তিক থেকে শুরু করে একসঙ্গে খেলেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও। সিডনি টেস্টে শেষবারের মতো একসঙ্গে জুটি বাঁধবেন তারা।
.png)
দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থাকায় ওয়ার্নারকে বেশ ভালোভাবেই চেনেন খাজা। তবে ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলার সময় ওয়ার্নারের আলাদা দিকটি তুলে ধরেন তিনি।
খাজা বলেন, ‘এটি কিছুটা বিশেষ ও আবেগপূর্ণ (সংবাদ সম্মেলন) ছিল, যা আমি আগে দেখিনি। সাধারণত ডেভিকে এমন রূপে দেখা যায় না। অবশ্যই সে যখন খেলে তখন ঐদিকটা আপনাদের কাছে তুলে ধরে না। সে একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। আপনারা তাকে আগ্রাসীভাবে খেলতে দেখেন। আমি তাকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি, তাই তার তেমন রূপ আমার কাছে পরিচিত।’
তিনি আরো বলেন, ‘ক্রিকেট মাঠে তাকে যেমন দেখা যায়, সম্ভবত সেটাই ওয়ার্নারের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে আমার। তবে পরিবারের সামনে সে একদমই ভিন্ন একজন মানুষ। তার বাবা-মাকে অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে চিনি আমি এবং তার পরিবারের সঙ্গে আমার পরিবারের ভালো সম্পর্ক আছে। একসঙ্গে এতদিন খেলা ও থাকার যাত্রাটা অদ্ভুত এবং সেই যাত্রার একটি শেষ হতে চলেছে। সে টেস্ট ও ওয়ানডে খেলা বন্ধ করে দিয়েছে এবং এর পেছনে অনেক সময় ও পরিশ্রম দিয়েছে সে।’
ওয়ার্নারের ছেলেবেলা সম্পর্কে খাজা বলেন, ‘সত্যি বলতে ছোটবেলায় সে ভয়ানক ছিল। একটি গল্প আমার সবসময় বলতে ইচ্ছে করে যে আমরা চা পানে অভ্যস্ত ছিলাম এবং তখন সবসময় তার নজর ছিল চেরির দিকে। সেই বুদ্ধিমান মানুষ এবং জানত সেই চেরিগুলোতে রস আছে। তাই আমরা চেরি তুলে বাকি লোকেদের কাপড়ে লাগিয়ে দিতাম। দিনশেষে মায়েদের বকা শুনতে হতো। কারণ সেই চেরির দাগ মোছাটা অসম্ভব ছিল।’