৩৬ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান ক্লাব গ্রেমিও থেকে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন। এ সময় সুয়ারেজ বলেন, জুনে কোপা আমেরিকাকে সামনে রেখে ইন্টার মায়ামিতে নিজেকে প্রস্তুত করে তোলার আশা করছেন তিনি।
গতকালই ছিল সুয়ারেজের প্রথম আনুষ্ঠানিক অনুশীলন সেশন। এই ক্লাবে মেসি ছাড়াও বার্সেলোনার আরো দুই সতীর্থ জর্দি আলবা ও সার্জিও বুসকেটসের সঙ্গেও সাক্ষাত হয়েছে তার।
.png)
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে সুয়ারেজ আয়াক্স, লিভারপুল ও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদে খেলেছেন। গত মৌসুমে গ্রেমিওর হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ২৬ গোল করেছেন। নতুন ক্লাবে নিজেকে সফল একটি অবস্থানে দেখতে চান বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সুয়ারেজ বলেন, ‘ফুটবল সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জিং জায়গা। ইন্টার মায়ামি আমাকে এমএলএস জয়ের স্বপ্ন পূরণের দারুণ একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এই ক্লাবটি এখনো এমএলএস জিততে পারেনি।’
ইন্টার মায়ামির অন্যতম মালিক সাবেক ইংলিশ তারকা ডেভিড বেকহ্যামের আগ্রহেই সুয়ারেজ এই ক্লাবে এসেছেন। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে এমএলএস’র নতুন মৌসুম শুরু হচ্ছে।
নতুন ক্লাবে পুরনো বন্ধুদের ফিরে পেয়ে দারুণ আনন্দিত সুয়ারেজ বলেছেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আমরা সবাই আবারো একসঙ্গে হয়েছি। আমাদের বন্ধুত্ব নিয়ে অনেক কথা হয়েছে।’
এরপর তিনি বলেন, ‘মাঠে আমরা একে অপরকে কতটা ভাল জানি সেটাই এই ক্লাবে আবারো প্রমাণ হবে। যতটা সম্ভব মায়ামিতে ফুটবলকে উপভোগ করার চেষ্টা করবো। আমরা সবসময়ই জিততেই মাঠে নামি, এটা আমাদের ডিএনএ’তেই আছে।’
ইন্টার মায়ামির কোচ হিসেবে কাজ করছেন বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার সাবেক বস জেরার্দো টাটা মার্টিনো। সুয়ারেজ মনে করেন মার্টিনোর অধীনে অভিজ্ঞ কিছু খেলোয়াড়ের কারণে কার্যত এখানকার তরুণরা দারুন উপকৃত হবে।
গত নভেম্বরে কনমেবল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন সুয়ারেজ। এই মুহূর্তে জাতীয় দলের প্রথম পছন্দের স্ট্রাইকার হিসেবে মূল দলে খেলার সুযোগ পান ডারউইন নুনেজ।
বলিভিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচটিতে সুয়ারেজ বদলী হিসেবে খেলতে নেমেছিলেন। তবে সুয়ারেজ আশা করছেন কোপা আমেরিকা দলেও তিনি ডাক পাবেন।
এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসে এখানকার পরিবেশে খেলতে পারার অভিজ্ঞতা আমি কোপায় কাজে লাগাতে চাই। ব্রাজিলিয়ান লিগে আমি বেশ কিছু ভাল ম্যাচ খেলেছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘শারিরীকভাবে সেখানে আমাকে যতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে আশা করছি এখানেই সেই একইভাবে আমাকে কাজ করতে হবে। আমি চাই আমার নাম দেখে নয়, পারফরমেন্স বিচারে কোচ আমাকে বিবেচনা করবেন।’