৪৮ পয়েন্ট নিয়ে টাই হলেও হালান্ডকে পেছনে ফেলে বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন মেসি। মূলত, জাতীয় দলের অধিনায়কদের ভোটে প্রথম পছন্দের তালিকায় এগিয়ে থাকায় তিনি এ পুরস্কার জিতলেন।
শুধু অধিনায়কই নন, জাতীয় দলগুলোর কোচ, বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি ও সাধারণ ফুটবল-ভক্তরাও ভোট দিয়েছেন বছরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে।
.png)
ফিফা দ্য বেস্টের এবারের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা। বাংলাদেশ অধিনায়ক সেরা পুরুষ খেলোয়াড় নির্বাচনে প্রথম স্থানে রেখেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে হালান্ডকে এবং তৃতীয় কেভিন ডি ব্রুইনকে ভোট দিয়েছেন।
জামালের ভোট মেসির ঝুলিতে গেলেও ক্যাবরেরার চোখে সেরা সিটির হয়ে ট্রেবলজয়ী আর্লিং হালান্ড। তার বিবেচনায় দ্বিতীয় সেরা রদ্রি, তৃতীয় সেরা ইলকায় গুনদোয়ান। স্বাভাবিকভাবেই ক্যাবরেরা সেরা তিনে জায়গা হয়নি মেসির।
এদিকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে ভোট দিয়েছেন রায়হান মাহমুদ। তার চোখেও হালান্ডই সেরা। মেসিকে তিনি রেখেছেন দুইয়ে। ক্যাবরেরার মতো তার চোখেও তৃতীয় সেরা গুনদোয়ান। সেরা পুরুষ কোচের নির্বাচনে বাংলাদেশের তিনটি ভোটই পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ গার্দিওলা।
এছাড়া মেয়েদের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের পছন্দের ক্রম ছিলেন হিনাতা মিয়াজাওয়া, স্যাম খের ও অ্যালেক্স গ্রিনউড। তাদের কেউ জায়গা পাননি সেরা তিনে।
অন্যদিকে, নারী দলের কোচ সাইফুল বারীর ভোট পড়েছে সেরা নারী ফুটবলার হওয়ার আইতানা বোনমাতির বাক্সেই। গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে মুজিবুর রহমানও সেরা খেলোয়াড়ের ভোট দিয়েছেন বোনমাতিকে।