আরেকটি ব্যাটিং ব্যর্থতায় শ্রীলংকা চেপে ধরেছে বাংলাদেশকে। অতিথিদের করা ৫৩১ রানের জবাবে স্বাগতিকরা প্রথম ইনিংসে অলআউট মাত্র ১৭৮ রানে। ৩৫৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে লংকানরা ব্যাটিং ধসে পড়েছে। তৃতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে তাদের রান ১০২। সব মিলিয়ে লিড ৪৫৫ রান।
হাসান মাহমুদের ৪ ও সৈয়দ খালেদের ২ উইকেটে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ফিরে আসলেও ব্যাটিং নিয়ে বড় আশা করা যাচ্ছে না। কেননা শেষ পাঁচ দলীয় ইনিংসে বাংলাদেশের রান একটিও দুইশর ঘর পেরোয়নি। তাই বাংলাদেশকে নিয়ে বাজি ধরার লোকও পাওয়া যাচ্ছে না।
.png)
শ্রীলংকা কত রান নিরাপদ মনে করছে? জানতে চাওয়া হয়েছিল তাদের পেস বোলিং কোচ দর্শনা গামাগের কাছে। উত্তরে তিনি বলেছেন,‘আমাদেরকে আরো ৫০-৬০ রান করতে হবে। তাহলে আমরা ভালো অবস্থানে পৌঁছাবো।’
নিজেদের পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে গামাগে যোগ করেন, ‘এই টেস্টে এখনও ছয় সেশন বাকি আছে। আমরা আগামীকাল প্রথম সেশনে যতটা সম্ভব রান করার চেষ্টা করবো। আমাদের সাড়ে চারশর বেশি রান জমা আছে।’
এরপর তিনি বলেন, ‘আরো ৫০ রান হলে আমাদের লিড পাঁচশ ছাড়াবে। আমরা যদি প্রথম সেশন ব্যাটিং করতে পারি তারপর তাদেরকে অলআউট করতে পাঁচ সেশন পাবো। পাশাপাশি পেসাররা পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাবে। যেন তারা যখন ফিরবে সতেজ হয়ে যেন ফেরে।’
বাংলাদেশকে ফলো অনের সুযোগ পেয়েও কেন করায়নি শ্রীলংকা? উত্তরে গামাগে যা বলেছেন, ‘মূল বিষয়টা হচ্ছে আমরা বোলারদের বিশ্রাম দিতে চেয়েছিলাম কারণ টেস্টের দুদিন এখনও বাকি রয়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের কিভাবে কাজে লাগাতে পারি আমাদের ভাবনাতে তা ছিল।’