শনিবার জয়পুরে আইপিএলের হাইভোল্টেজ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর মুখোমুখি হয় রাজস্থান রয়্যালস। ম্যাচটিতে ব্যাঙ্গালুরুকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে সাঞ্জু স্যামসনের দল। এই জয়ে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠেছে রাজস্থান।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে শতরান যোগ করে ব্যাঙ্গালুরুর দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডু প্লেস। ৮৪ বলে ১২৫ রানের জুটি গড়েন তারা।
.png)
তবে অর্ধশতক হাঁকানোর আগেই আউট হন ডু প্লেসি। ৩৩ বলে ৪৪ রান করে থামেন তিনি। এ ম্যাচেও ব্যর্থ গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। সৌরভ চৌহানও দ্রুতই বিদায় নেন। ক্যামেরন গ্রিন ৬ বলে ৫ রান করে ক্রিজে থাকেন।
অন্যপ্রান্তে একাই দলকে টেনে নেন কোহলি। আইপিএল ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে ১১৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৭২ বলের ইনিংসে ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন।
আইপিএলের তুলনায় কোহলির মন্থর সেঞ্চুরিকে ম্লান করে দেন বাটলার। যদিও রান তাড়ায় খালি হাতে ফেরেন রাজস্থানের আরেক ওপেনার যশস্বী জসওয়াল।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩০ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন বাটলার। রাজস্থানের অধিনায়ক সাঞ্জু স্যামসন অর্ধশতক পূর্ণ করতে খরচ করেন ৩৩ বল। স্যামসন থামেন ৬৯ রান করে। ৪২ বলের ইনিংসে তিনি হাঁকান ৮টি চার ও ২টি ছক্কা।
এরপর ক্রিজে আসেন রিয়ান পরাগ। ৪ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন তিনি। ধ্রুব জুরেলও ৩ বলে ২ রান করে ফিরে যান। তবে শিমরন হেটমায়ার ৬ বলে ১১ রান করে বাটলারকে সঙ্গ দেন।
অপরদিকে বাটলার তুলে নেন আইপিএলে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি। ৫৮ বলে করেন ১০০ রান।
বাটলারের এই সেঞ্চুরির পর দলটির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট কুমার সাঙ্গাকারা বলেন, ‘সাদা বলে বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা ওপেনার জস এবং অনেক বছর ধরেই আছে। সে স্মার্ট, খুব ভালো করে জানে কীভাবে নিজের কাজ করতে হয়। আর কখনো কখনো আশপাশের আলোচনা এড়িয়ে তাকে নিজের মতো থাকতে দিতে হয়। জসের ক্ষেত্রে সবকিছুরই ভালো সমন্বয় ছিল আমাদের।’