খেলা চলার সময় প্রেসিডেন্ট বক্সের পেছনে আগুন লেগে যায়। জানা গেছে, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে খেলার ফলাফল নিয়ে তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। যদিও শেষ পর্যন্ত বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুন লেগে যাওয়ার পর খেলা ১০ মিনিট বন্ধ ছিল।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলে ফের খেলা শুরু হয়। এই ম্যাচে দশ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতেছে মাশরাফীর রূপগঞ্জ।
.png)
আজ টস জিতে আগে গাজী টায়ার্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রূপগঞ্জ। ইফতিখার হোসাইন ইফতি এবং মোহাব্বত হোসেন রোমানের উদ্বোধনী জুটি থেকে রান আসে ৪১। ১৭ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন রোমান। ওপেনিং জুটি ভাঙার পর উইকেটে যাওয়া আসার মিছিল শুরু করে বাকিরা।
দুর্দান্ত বোলিংয়ে গাজী টায়ার্সের ব্যাটিং লাইন-আপকে ধসিয়ে দিতে থাকেন রূপগঞ্জের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ৪৪.২ ওভারের মাথায় ১৫০ রানে অলআউট হয়ে যায় গাজী টায়ার্স। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন ইফতেখার। এছাড়া আর মাত্র একজনই ছুঁতে পেরেছেন ২০ রানের কোটা।
৫৩ বলে ২০ রান করেন ইফতেখার সাজ্জাদ। ১০৯ রানের মধ্যে শেষ ৯ উইকেট হারায় গাজী টায়ার্স। রূপগঞ্জের হয়ে ৪ উইকেট নেন শুভাগত হোম চৌধুরী। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা এবং আবদুল হালিম নেন দুটি করে উইকেট।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন রূপগঞ্জের ওপেনার তাওফিক খান তুষার। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম কিছুটা রয়েসয়ে খেললেও তুষার ছিলেন আগুনে রূপে। মারমুখি ব্যাটিংয়ে দ্রুতই ফিফটি তুলে নেন তিনি।
ফিফটির পরেও চলেছে তাণ্ডব। বিস্ফোরক এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তুষার। ৬৬ বলে ১১৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন তিনি। অন্যদিকে ৫১ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন সাদমান। ১০ উইকেট এবং ১৮৪ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রূপগঞ্জ।