দুই লেগ মিলিয়ে আর্সেনালকে ৩-২ ব্যবধানে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে ৬৩ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন কিমিচ।
এর আগে লন্ডনে প্রথম লেগের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। ২০২০ সালে শিরোপা জয়ের পর এটাই বায়ার্নের প্রথম সেমিফাইনাল। শেষ চারে জার্মান জায়ান্টদের প্রতিপক্ষ রেকর্ড ১৪ বারের বিজয়ী রিয়াল মাদ্রিদ।
.png)
এর মাধ্যমে সপ্তাহের বাজে সময়টা কাটিয়ে উঠতে পারলো না আর্সেনাল। রোববার বছরের প্রথম পরাজয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থানও ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল।
ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নের সঙ্গে বুন্দেসলিগার আরো একটি ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডও সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শেষ চারে বরুশিয়ার প্রতিপক্ষ পিএসজি।
আর্সেনালের সাবেক উইঙ্গার সার্জি গ্যানাব্রিসহ আক্রমণভাগে বেশ কয়েকজন তারকাকে ইনজুরির কারনে হারিয়েছে বায়ার্ন। কেনের সঙ্গে প্রথম লেগে গোল করেছিলেন গ্যানাব্রি। কাল দলের বাইরে ছিলেন কিংসলে কোম্যানও।
এ অবস্থায় রাফায়েল গুয়েরেইরোকে নতুন দায়িত্বে মাঠে নামান কোচ থমাস টুখেল। তাের এই সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই কাজে এসেছে। পর্তুগিজ এই ডিফেন্ডার বামদিক থেকে দারুণ সব আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
প্রথমার্ধে সফরকারীদের সবচেয়ে বিপদজনক খেলোয়াড় হয়ে উঠেছিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। ৭ মিনিটে তার কার্লিং শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর ৩০ মিনিটে আরো একটি শট সরাসরি ম্যানুয়েল নয়্যারের হাতে ধরা পড়ে।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয় বায়ার্ন। কিমিচের ক্রস থেকে লিও গোরেৎজকার হেড পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ৬৩ মিনিটে আর কোন ভুল করেননি কিমিচ। গুয়েরেইরোর চিপ থেকে দারুণ এক হেডে তিনি বায়ার্নকে এগিয়ে দেন।
ইনজুরি টাইমে আর্সেনাল ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ তৈরী করেছিল। কেই হাভার্টজ ও বুকায়ো সাকা মিলে গোল আদায় করতে পারেননি। আর এতেই ২০০৯ সালের পর প্রথমবারের মত আর্সেনালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।