বোলিংসহ তিন বিভাগেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। মূলত প্রথম ম্যাচে একক আধিপত্য দেখিয়ে ম্যাচ জিতেছে স্বাগতিক দল।
পেসার শরিফুল ৪ ওভার বোলিং করে ৩৭ রান দিয়েও ছিলেন উইকেটশুন্য। তবে অপর দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের নৈপুণ্যে ম্যাচে জয় পেতে টাইগারদের কোন সমস্যা হয়নি। তাসকিন-সাইফুদ্দিন উভয়েই তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
.png)
এছাড়া দুই স্পিনার মাহেদি হাসান ও রিশাদ হোসেন দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ে মাত্র ১২৪ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে আন্তর্জাতিক টি-২০তে অভিষেক হওয়া তানজিদ হাসান তামিমের অপরাজিত ৬৭ রানে ১৫.২ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
ওপেনিংসহ মিডল অর্ডার ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও সফরকারীদের টেলএন্ডার দৃঢ়তা দেখিয়েছে। মাত্র পাঁচ রানের ব্যবধানে ছয় উইকেট হারিয়ে এক পর্যায়ে দলীয় ৪১ রানে ৭ উইকেটে পরিনত হয় জিম্বাবুয়ে।
অষ্টম উইকেটে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন উইকেটরক্ষক ক্লাইভ মানদান্দে ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। ১৮তম ওভারে জিম্বাবুয়ের রান ১শতে নিয়ে যান তারা। ১৯তম আউট হওয়ার আগে ৩৯ বলে ৪৩ রান করেন মানন্দান্দে।
অষ্টম উইকেটে ৬৫ বলে ৭৫ রান যোগ করেন মানদান্দে ও মাসাকাদজা। টি-২০ ভার্সনে বাংলাদেশের বিপক্ষে অষ্টম উইকেটে জিম্বাবুয়ের এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। মূলত তাদের কল্যাণেই এর আগে টি-২০তে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন ৮০ রানের কোটা পার করে জিম্বাবুয়ে।
সংক্ষিপ্ত ভার্সনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১ ম্যাচে এটা ছিল বাংলাদেশের ১৪তম জয়। বাকি সাত ম্যাচে পুর্ব আফ্রিকার দেশটির কাছে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। আগামীকালের ম্যাচ জিতে সিরিজে ফিরতে মরিয়া থাকবে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশ দল: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, শেখ মাহেদি, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, পারভেজ হোসেন ইমন, তানভির ইসলাম, আফিফ হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।
জিম্বাবুয়ের দল: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ফারাজ আকরাম, ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, জোনাথন ক্যাম্পবেল, ক্রেগ আরভিন, জয়লর্ড গাম্বি, লুক জঙ্গি, ক্লাইভ মাদান্দে, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, ব্লেসিং মুজারাবানি, এন্সলি এন্দলোভু, রিচার্ড এনগারাভা ও সিন উইলিয়ামস।