চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে বৃষ্টি নামার আগে ১০ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৬২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এদিন আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটস দাস। লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন লিটন দাস ও তানজিন হাসান তামিম।
.png)
ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে এন্দলোভুর বলে দুর্দান্ত ক্যাচে তামিমকে তালুবন্দী করেন বেনেট। সাজঘরে ফেরার আগে ১৮ রান করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার।
পরে উইকেটে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন তিনি। তার বিদায়ের পর আউট হন লিটনও। ২৫ বলে ২৩ করেন এ টাইগার ওপেনার।
পরপর দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছে স্বাগতিকরা। বৃষ্টি নামার আগে উইকেটে ব্যাটিং করছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলী অনিক।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ব্যাট হাতে চার ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।
আশা দেখালেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি জয়লর্ড গাম্বি (১৭) ও ক্রেগ আরভিন (১৩)। তবে সেই ধাক্কা সামলে দলীয় রানের চাকা সচল রাখেন ক্যাম্পবেল ও বেনেট। তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান।
ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে ক্যাম্পবেল (৪৫) সাজঘরে ফিরলে ভেঙে যায় তাদের এ জুটি। শেষ পর্যন্ত ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে জিম্বাবুয়েকে মান বাঁচানো পুঁজি এনে দেন বেনেট। ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। যা তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন সাইফউদ্দিন, মাহেদী হাসান ও শরিফুল।