এক বিবৃতিতে মুনরোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (এনজেডসি)। তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩ হাজারের বেশি রান করেছেন তিনি। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর তিনি টেস্ট খেলেছেন মাত্র একটি। মূলত সাদা বলেই এক সময় ছিলেন অপরিহার্য।
৪৭ ওয়ানডেতে ২৪.৯২ গড় ও ১০৪.৬৯ স্ট্রাইকরেটে ১২৭১ রান করেছেন মুনরো। তবে টি-২০তে তার পারফরম্যান্স দারুণ। ৬৫ টি-২০তে ৩১.৩৪ গড় আর ১৫৬.৪৪ স্ট্রাইকরেট রেখে করেন ১ হাজার ৭২৪ রান। আছে তিনটা সেঞ্চুরি।
.png)
অবসরের ঘোষণায় মুনরো বলেন, ব্ল্যাকক্যাপস জার্সিতে খেলা আমার ক্যারিয়ারের সেরা অর্জন। এই জার্সির চেয়ে অন্য কিছুতে আর এত গর্ব অনুভব করি না। ১২৩ বার সব সংস্করণ মিলিয়ে এই জার্সি গায়ে চাপাতে পেরেছি। যেটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য।
অবসর বার্তায় মুনরো ইঙ্গিত দেন, জাতীয় দলে ফেরার কিছুটা আশা থেকে যাওয়ায় এতদিন অবসরের ঘোষণা দিচ্ছিলেন না। টি-২০ বিশ্বকাপের নিউজিল্যান্ড দলে নিজের নাম না দেখে বুঝে ফেলেন ভবিতব্য।
তিনি বলেন, আমি হাল ছাড়িনি, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলে গেছি। কিন্তু এবার বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর বুঝে গেছি আমার চ্যাপ্টার বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বোঝায় যায়, অনেকটা অভিমান করেই আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন মুনরো।
মুনরোর প্রতি শুভকামনা জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটও। প্রধান নির্বাহী স্কট উইনিক বিবৃতিতে বলেন, কলিন প্রথম কয়েকজন আগ্রাসী ব্যাটারের একজন ছিলেন, যে কিনা ৩৬০ ডিগ্রি ঘরানায় খেলতে পারত। খেলাটা এগিয়ে নেয়ার একজন সে। নিউজিল্যান্ডকে শতাধিক ম্যাচে অবদান রাখায় তাকে ধন্যবাদ।
সবশেষ ২০২০ সালে ঘরের মাঠে কিউইদের জার্সিতে খেলেছিলেন মুনরো। ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের শেষ ম্যাচে ৬ বলে ১৫ রান করেছিলেন তিনি। এই ইনিংস দিয়ে আন্তজার্তিক ক্যারিয়ারের ইতিটানলেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার।